গানের মানুষ, প্রাণের টানে; সপরিবারে বাংলাদেশে শ্রীকান্ত আচার্য

নব্বইয়ের দশকের সেই মায়াবী কণ্ঠ, যা আজও দুই বাংলার অলিগলি থেকে ড্রয়িংরুম সবখানেই সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনিই হলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী, গীতিকার এবং সঙ্গীত পরিচালক শ্রীকান্ত আচার্য। যার গায়কীতে মিশে থাকে এক আশ্চর্য স্নিগ্ধতা আর নাগরিক জীবনের না বলা কথা। কয়েক প্রজন্মকে সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে রাখা এই গুণী শিল্পী সম্প্রতি সপরিবারে পা রেখেছেন বাংলাদেশে। সুরের টানে নাকি শিকড়ের টানে, এই সফরের নেপথ্য গল্প আর দীর্ঘ সংগীত জীবনের নানা বাঁক নিয়ে কালবেলার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। প্রতিবেদক: তামজিদ হোসেন। অনেকদিন পর বাংলাদেশে আসলেন এবং ঢাকেশ্বরী মন্দিরেও ঘুরে এলেন কেমন লাগছে? আমি যদি বাংলাদেশে আসার কথা বলি, তাহলে ২০০০ সাল থেকে আমি এই দেশে আসছি। ২৬ বছর ধরে আমি ঢাকাতে তো অনেকবার এসেছি ,পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গাতেও ঘুরেছি। তবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আমি এই প্রথমবার এসে খুবই ভালো লেগেছে। আর এইবার আমার কাছে এই ঘুরে দেখাটা একটু বিশেষ কারণ একদিকে পহেলা বৈশাখের আনন্দ অন্যদিকে আমি স্বপরিবারে এখানটায় ঘুরতে এসেছি। উৎসবের মেজাজের ভিতরে ঐতিহাসিক জায়গাটা ঘুরে দেখে খুব ভালো লাগছে। আপনার গাওয়া অসংখ্য

গানের মানুষ, প্রাণের টানে; সপরিবারে বাংলাদেশে শ্রীকান্ত আচার্য

নব্বইয়ের দশকের সেই মায়াবী কণ্ঠ, যা আজও দুই বাংলার অলিগলি থেকে ড্রয়িংরুম সবখানেই সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনিই হলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী, গীতিকার এবং সঙ্গীত পরিচালক শ্রীকান্ত আচার্য। যার গায়কীতে মিশে থাকে এক আশ্চর্য স্নিগ্ধতা আর নাগরিক জীবনের না বলা কথা। কয়েক প্রজন্মকে সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে রাখা এই গুণী শিল্পী সম্প্রতি সপরিবারে পা রেখেছেন বাংলাদেশে। সুরের টানে নাকি শিকড়ের টানে, এই সফরের নেপথ্য গল্প আর দীর্ঘ সংগীত জীবনের নানা বাঁক নিয়ে কালবেলার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। প্রতিবেদক: তামজিদ হোসেন।

অনেকদিন পর বাংলাদেশে আসলেন এবং ঢাকেশ্বরী মন্দিরেও ঘুরে এলেন কেমন লাগছে?

আমি যদি বাংলাদেশে আসার কথা বলি, তাহলে ২০০০ সাল থেকে আমি এই দেশে আসছি। ২৬ বছর ধরে আমি ঢাকাতে তো অনেকবার এসেছি ,পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গাতেও ঘুরেছি। তবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আমি এই প্রথমবার এসে খুবই ভালো লেগেছে। আর এইবার আমার কাছে এই ঘুরে দেখাটা একটু বিশেষ কারণ একদিকে পহেলা বৈশাখের আনন্দ অন্যদিকে আমি স্বপরিবারে এখানটায় ঘুরতে এসেছি। উৎসবের মেজাজের ভিতরে ঐতিহাসিক জায়গাটা ঘুরে দেখে খুব ভালো লাগছে।

বাংলাদেশে আপনি অনেকবার এসেছেন ,এই দেশের কোন খাবারটি আপনার কাছে খেতে খুব ভালো লাগে?

সত্যি বলতে, এই দেশে এসে আমার নানা পদের ভর্তা খেতে খুব ভালো লাগে। বিরিয়ানি বা খাবারের অন্যান্য আইটেম ওপার বাংলাতেও পাওয়া যায় । তবে এই দেশে ভর্তার আইটেমটা আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে এবং আমার ভালো লাগে। 

প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম দুই বাংলায় অসংখ্য ভক্ত রয়েছে আপনার, তাদের মধ্যে কি কোনো পার্থক্য খুঁজে পান আপনি?

একেবারেই না । বিগত ২৬ বছরে বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই গান গাইতে গিয়েছি এবং এটা আমার বলতে ভালো লাগবে যে বেশিরভাগ জায়গাতেই শ্রোতাদের মধ্যে সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষ কিন্তু  বাংলাদেশি। বিদেশে যখন গান গাইতে যাই বাংলাদেশি শ্রোতারা তখন যে আবেগটা আমাকে দেখায় সেটা আমার ব্যক্তিগত ভাবে ভালো লাগে, আর আমি নিজেও একজন খুব আবেগী একজন মানুষ। 

আপনার গাওয়া অসংখ্য গানের ভিতর কোন গানটি আপনার প্রিয়?

 প্রিয় গান একটা বলে তো কিছু হয় না, তবে আজ থেকে ২৬ বছর আগে রেকর্ড করা একটা ‘বৃষ্টি তোমাকে দিলাম’ গানটির জন্য দেশ বিদেশ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি, তাই গানটার প্রতি যতটা ভালো লাগা বা আবেগ  কাজ করে সেটা অন্যসব গানের থেকে কম।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow