গাবতলীর হাটে দুম্বার ক্রেতা সংকট, বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারি

পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন রাজধানীর গাবতলীর পশুর হাটে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। গরু-ছাগলের পাশাপাশি সৌখিন ক্রেতাদের জন্য আনা দুম্বার বাজারেও দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট। উচ্চ দাম ও ক্রেতাদের কম আগ্রহে বিক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। বুধবার (২৭ মে) ঈদের আগের দিন গাবতলীর পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। গত সোমবার (২৫ মে) পাঁচটি দুম্বা নিয়ে গাবতলীর হাটে আসেন রংপুর দুম্বা ফার্মের কর্মকর্তা নাসিম। তবে দুই দিনে বিক্রি হয়েছে মাত্র একটি। বাকি চারটি বিক্রি হবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। নাসিম বলেন, একটি দুম্বা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। বাকি দুম্বাগুলোর দাম চাওয়া হচ্ছে ২ লাখ ৮০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত। তবে হাটে আসা ক্রেতারা সর্বোচ্চ ২ লাখ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বলছেন। ফলে চাহিদা ও দামের ব্যবধান বাড়ায় বিক্রি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছি। তিনি বলেন, দুম্বা সাধারণত সৌখিন ক্রেতারাই কিনে থাকেন। এগুলোর খাবার ও পরিচর্যায় খরচ বেশি হওয়ায় দামও তুলনামূলক বেশি পড়ে। তবে এবার ক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম বলছেন না। দুম্বাগুলোর আকার ও ওজন বিবেচনায় দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত

গাবতলীর হাটে দুম্বার ক্রেতা সংকট, বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারি

পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন রাজধানীর গাবতলীর পশুর হাটে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। গরু-ছাগলের পাশাপাশি সৌখিন ক্রেতাদের জন্য আনা দুম্বার বাজারেও দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট। উচ্চ দাম ও ক্রেতাদের কম আগ্রহে বিক্রেতাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ।

বুধবার (২৭ মে) ঈদের আগের দিন গাবতলীর পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। গত সোমবার (২৫ মে) পাঁচটি দুম্বা নিয়ে গাবতলীর হাটে আসেন রংপুর দুম্বা ফার্মের কর্মকর্তা নাসিম। তবে দুই দিনে বিক্রি হয়েছে মাত্র একটি। বাকি চারটি বিক্রি হবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

নাসিম বলেন, একটি দুম্বা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। বাকি দুম্বাগুলোর দাম চাওয়া হচ্ছে ২ লাখ ৮০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত। তবে হাটে আসা ক্রেতারা সর্বোচ্চ ২ লাখ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বলছেন। ফলে চাহিদা ও দামের ব্যবধান বাড়ায় বিক্রি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছি।

তিনি বলেন, দুম্বা সাধারণত সৌখিন ক্রেতারাই কিনে থাকেন। এগুলোর খাবার ও পরিচর্যায় খরচ বেশি হওয়ায় দামও তুলনামূলক বেশি পড়ে। তবে এবার ক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম বলছেন না। দুম্বাগুলোর আকার ও ওজন বিবেচনায় দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে সেগুলো আবার খামারে ফিরিয়ে নিতে হতে পারে।

এদিকে, হাটে ঘুরতে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, দুম্বার প্রতি আগ্রহ থাকলেও উচ্চ দামের কারণে অনেকেই কেনার সাহস পাচ্ছেন না। ফলে ঈদের শেষ সময়েও বিক্রেতাদের কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

এসএম/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow