গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু ১৫ জুলাই

গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হতে পারে আগামী ৮ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। চূড়ান্ত ভর্তি শেষে আগামী ১৫ জুলাই থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির (২০২৫-২৬) সদস্য সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এখন চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৪ এবং ৫ জুলাই আরেকটি মেধাতালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। সে অনুযায়ী প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্নের পর ৮ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি চলবে এবং ১৫ তারিখ থেকে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে। চূড়ান্ত ভর্তির পরেও বিশ্ববিদ্যালয় মাইগ্রেশন অন রাখা হবে কি না প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বিষয়টি নির্ভর করবে চূড়ান্ত ভর্তি শেষে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়টি আসন ফাঁকা থাকবে তার ওপর। এখন পর্যন্ত ৬ থেকে ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন একদমই ফাঁকা নেই। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ১০-১২ টি করে আসন ফাঁকা রয়েছে। আশা করা যাচ

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু ১৫ জুলাই

গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হতে পারে আগামী ৮ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। চূড়ান্ত ভর্তি শেষে আগামী ১৫ জুলাই থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির (২০২৫-২৬) সদস্য সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এখন চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৪ এবং ৫ জুলাই আরেকটি মেধাতালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। সে অনুযায়ী প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্নের পর ৮ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি চলবে এবং ১৫ তারিখ থেকে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে।

চূড়ান্ত ভর্তির পরেও বিশ্ববিদ্যালয় মাইগ্রেশন অন রাখা হবে কি না প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বিষয়টি নির্ভর করবে চূড়ান্ত ভর্তি শেষে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়টি আসন ফাঁকা থাকবে তার ওপর। এখন পর্যন্ত ৬ থেকে ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন একদমই ফাঁকা নেই। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ১০-১২ টি করে আসন ফাঁকা রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আরেকটি মাইগ্রেশনের পর এগুলোও ফিলাপ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তী মাইগ্রেশনের পর যদি দেখা যায় যে, মাত্র ২-৩টি আসন ফাঁকা থাকছে, তবে তার জন্য নতুন করে আর ভর্তির ব্যবস্থা করা নাও হতে পারে। এটি নির্ভর করবে চূড়ান্ত ভর্তির পর কতটি আসন ফাঁকা থাকছে আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এটি চাচ্ছে কি না তার ওপর। এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, গুচ্ছ কমিটির পরবর্তী সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

ইরফান উল্লাহ/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow