গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
কুমিল্লার পুলিশ সুপার প্রত্যাহার সংক্রান্ত পুলিশ সদর দপ্তরের একটি ভুয়া আদেশ তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, গত ৩১ মে ‘প্রতিবাদী জনতা’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে পুলিশ সুপার প্রত্যাহারের একটি ভুয়া আদেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়। পরদিন গত ১ জুন ও ফেসবুক পেজে ‘১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের প্রভাবে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার আদেশ বাতিল’ সংক্রান্ত আরেকটি গুজব ছড়ানো হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গুজবের বিষয়টি নজরে আসার পর অপরাধীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে জেলা গোয়েন্দা শাখা। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও আধুনিক কৌশলের সহায়তায় গুজব সৃষ্টিকারীদের শনাক্ত করা হয়। বুধবার বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সোনিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা ডিবি তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে শ্রীমন্তপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুমিল্লার
কুমিল্লার পুলিশ সুপার প্রত্যাহার সংক্রান্ত পুলিশ সদর দপ্তরের একটি ভুয়া আদেশ তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, গত ৩১ মে ‘প্রতিবাদী জনতা’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে পুলিশ সুপার প্রত্যাহারের একটি ভুয়া আদেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়। পরদিন গত ১ জুন ও ফেসবুক পেজে ‘১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের প্রভাবে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার আদেশ বাতিল’ সংক্রান্ত আরেকটি গুজব ছড়ানো হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গুজবের বিষয়টি নজরে আসার পর অপরাধীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে জেলা গোয়েন্দা শাখা। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও আধুনিক কৌশলের সহায়তায় গুজব সৃষ্টিকারীদের শনাক্ত করা হয়।
বুধবার বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সোনিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা ডিবি তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে শ্রীমন্তপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, তাদের কাছ থেকে জব্দ করা বিভিন্ন ডিভাইস পর্যালোচনা করে গুজব ছড়ানোর অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে জানিয়েছে, আরও কয়েকজন মিলে দীর্ঘদিন ধরে সরকারবিরোধী এবং সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর গুজব ছড়িয়ে আসছিল। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সকল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার, পুলিশ এবং রাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাধারণ মানুষের সামনে হেয় প্রতিপন্ন করা, পুলিশের মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং দেশজুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার হীন উদ্দেশ্যেই তারা সুপরিকল্পিতভাবে এই ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আসছিল। আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে নিয়মিত মামলা হয়েছে।
What's Your Reaction?