গুরু-শিষ্যের লড়াইয়ে ফুয়েন্তের কাছে স্কালোনির হার
সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে চান স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে শুধু স্প্যানিশ কোচ নয়, টুর্নামেন্টের মাঝপথে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনিও। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে পা রাখার পর ম্যাচটি আখ্যা পেতে থাকে মেসি-ইয়ামাল ফাইনাল হিসেবে। তবে এটি ছিল মূলত দুই কোচের আবার অন্যভাবে বললে গুরু-শিষ্যের লড়াই। আর্জেন্টিনা কোচ একসময় রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে কোচিং কোর্স করেছিলেন। সেখানে তার প্রশিক্ষক ছিলেন দে লা ফুয়েন্তে। শিক্ষকের ভূমিকায় ফুয়েন্তে অবশ্য জোর দেন দুজনের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে। দুই দেশের দুই কোচের পূর্ব সম্পর্ক থেকেই মূলত ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার এই ইচ্ছা তার ব্যক্ত করেছিলেন তখন। শেষ পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছেনও দুজন। সেখানে শেষ হাসি হেসেছে ফুয়েন্তে। আর ১-০ গোলে ফাইনালে হেরে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে না পারার কষ্টে আবেগপ্রবণ হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাঝপথেই চলে যান স্কালোনি। মাঠে ফুয়েন্তের শিষ্যরা একচ্ছত্র আধিপত্য দেখায় স্কালোনির দলের বিপক্ষে। ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্
সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে চান স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তবে শুধু স্প্যানিশ কোচ নয়, টুর্নামেন্টের মাঝপথে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনিও। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনালে পা রাখার পর ম্যাচটি আখ্যা পেতে থাকে মেসি-ইয়ামাল ফাইনাল হিসেবে। তবে এটি ছিল মূলত দুই কোচের আবার অন্যভাবে বললে গুরু-শিষ্যের লড়াই।
আর্জেন্টিনা কোচ একসময় রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে কোচিং কোর্স করেছিলেন। সেখানে তার প্রশিক্ষক ছিলেন দে লা ফুয়েন্তে। শিক্ষকের ভূমিকায় ফুয়েন্তে অবশ্য জোর দেন দুজনের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে। দুই দেশের দুই কোচের পূর্ব সম্পর্ক থেকেই মূলত ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার এই ইচ্ছা তার ব্যক্ত করেছিলেন তখন।
শেষ পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছেনও দুজন। সেখানে শেষ হাসি হেসেছে ফুয়েন্তে। আর ১-০ গোলে ফাইনালে হেরে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে না পারার কষ্টে আবেগপ্রবণ হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাঝপথেই চলে যান স্কালোনি। মাঠে ফুয়েন্তের শিষ্যরা একচ্ছত্র আধিপত্য দেখায় স্কালোনির দলের বিপক্ষে।
৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র থাকলে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায় ফাইনাল। সেখানেই ১০৬ মিনিটে গোল করে দ্বিতীয়বারের মতো স্পেনকে বিশ্বকাপের শিরোপা জেতান ফেরান তোরেস।
পুরো ম্যাচে ফুয়েন্টের ট্যাকটিকসের কাছে ধরাশায়ী হয় স্কালোনির আর্জেন্টিনা। ম্যাচে ৬৮ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল স্পেন। আর আর্জেন্টিনা মাত্র ৩২ শতাংশ। ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আক্রমণে সম্পূর্ণ নিষ্প্রভ ছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে একটিও শট নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত সময়ের ১৫ মিনিটও, অর্থ্যাৎ ১০৫ মিনিট পর্যন্ত কোনো শট নিতে পারেনি তারা। প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে এই লজ্জার রেকর্ড গড়ে আর্জেন্টিনা।।
পুরো ম্যাচে ২০টি শট নিয়ে ১১টি লক্ষ্যে রাখে স্পেন। অন্যদিকে মাত্র ৩টি শট নেয় ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটে। তবে লক্ষ্যে রাখতে পারেনি একটিও। ২০২২ আসরের চ্যাম্পিয়নদের হয়ে মাঠে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ছাড়া নিষ্প্রভ ছিলেন বাকি সবাই। টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিততে না পারায় মাঠেই অশ্রুসিক্ত হন লিওনেল মেসি।
আইএন
What's Your Reaction?