গুলশান লেক রক্ষায় পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জোর দিল রাজউক

রাজধানীর গুলশান আবাসিক এলাকায় পরিবেশবান্ধব পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং গুলশান লেকসহ আশপাশের জলাশয় দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গুলশান সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে একটি টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে গুলশান সোসাইটি লেক পার্কে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম। এ সময় রাজউকের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি গুলশান সোসাইটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় গুলশান এলাকায় সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল এবং স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, গুলশান লেকসহ আশপাশের জলাশয়কে দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিটি ভবনে পরিকল্পিত ও পরিবেশসম্মত পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য যথাযথভাবে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল এবং এসটিপি স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, রাজউকের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এসব অবকাঠামো স্থাপন বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে ভবন মালিকসহ সংশ্লিষ্

গুলশান লেক রক্ষায় পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জোর দিল রাজউক

রাজধানীর গুলশান আবাসিক এলাকায় পরিবেশবান্ধব পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং গুলশান লেকসহ আশপাশের জলাশয় দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গুলশান সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে একটি টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে গুলশান সোসাইটি লেক পার্কে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম। এ সময় রাজউকের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি গুলশান সোসাইটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গুলশান এলাকায় সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল এবং স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, গুলশান লেকসহ আশপাশের জলাশয়কে দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিটি ভবনে পরিকল্পিত ও পরিবেশসম্মত পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য যথাযথভাবে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল এবং এসটিপি স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাজউকের আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এসব অবকাঠামো স্থাপন বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে ভবন মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতা ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাজধানীর জলাশয় সংরক্ষণ এবং দূষণমুক্ত রাখতে রাজউক ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সভায় ভবিষ্যতে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও এসটিপি স্থাপনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে গুলশান সোসাইটির জন্য পৃথক প্রেজেন্টেশনের আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। ওই প্রেজেন্টেশনে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির কার্যপদ্ধতি, স্থাপন ব্যয়, প্রয়োজনীয় জায়গা এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গুলশান এলাকার পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow