‘গৃহকর্মী নিবন্ধন’ বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল
গৃহকর্মীদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৯ এপ্রিল) এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। রিটে উল্লেখিত সুপারিশ অনুযায়ী, ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আইন সচিব, শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা ও আইনজীবী রওশন আরা। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাজধানীসহ দেশের সব গৃহকর্মীর নাম নিবন্ধন করার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেন আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা। ১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশে রাজধানী ঢাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। এলাকাগুলো হলো, ঢাকা কো
গৃহকর্মীদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার (১৯ এপ্রিল) এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
রিটে উল্লেখিত সুপারিশ অনুযায়ী, ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আইন সচিব, শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা ও আইনজীবী রওশন আরা।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাজধানীসহ দেশের সব গৃহকর্মীর নাম নিবন্ধন করার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেন আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা।
১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশে রাজধানী ঢাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। এলাকাগুলো হলো, ঢাকা কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, লালবাগ, রমনা ও তেজগাঁও।
বিদ্যমান অধ্যাদেশ অনুসারে এসব এলাকার বাসাবাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে সরকার গেজেট জারির মাধ্যমে অন্য এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে।
সূত্র : ইউএনবি
What's Your Reaction?