গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ৪৩তম

২০২৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্লিন শিট বা গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তালিকায় ব্রাজিলের অবস্থান ৪৩তম স্থানে। পরিসংখ্যানভিত্তিক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ২০২৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯টি ম্যাচের মধ্যে ২৮টিতে কোনো গোল হজম করেনি, যা শতাংশের হিসেবে ৭১.৮ শতাংশ সফলতা। একই সময়ে দলটি মোট মাত্র ১৪টি গোল হজম করেছে, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ০.৩৬ গোল। এই রেকর্ডই তাদের তালিকার শীর্ষে রেখেছে। আর্জেন্টিনা ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী রক্ষণভাগের পরিচয় দিয়েছে। দলটি শুধু ফলাফলেই নয়, রক্ষণেও বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। পরিসংখ্যানটি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো স্পোর্টের অফিশিয়াল পরিসংখ্যানভিত্তিক মাসকট ‘গাতো মেস্ত্রে’র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, এই সময়কালে আর্জেন্টিনার চেয়ে ভালো ‘ক্লিন শিট’ রেকর্ড আর কোনো বিশ্বকাপ দল দেখাতে পারেনি। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। আফ্রিকার এই দলটি ৫৮টি ম্যাচ খেলে ৩৭টিত

গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ৪৩তম
২০২৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্লিন শিট বা গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তালিকায় ব্রাজিলের অবস্থান ৪৩তম স্থানে। পরিসংখ্যানভিত্তিক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ২০২৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯টি ম্যাচের মধ্যে ২৮টিতে কোনো গোল হজম করেনি, যা শতাংশের হিসেবে ৭১.৮ শতাংশ সফলতা। একই সময়ে দলটি মোট মাত্র ১৪টি গোল হজম করেছে, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ০.৩৬ গোল। এই রেকর্ডই তাদের তালিকার শীর্ষে রেখেছে। আর্জেন্টিনা ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী রক্ষণভাগের পরিচয় দিয়েছে। দলটি শুধু ফলাফলেই নয়, রক্ষণেও বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। পরিসংখ্যানটি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো স্পোর্টের অফিশিয়াল পরিসংখ্যানভিত্তিক মাসকট ‘গাতো মেস্ত্রে’র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, এই সময়কালে আর্জেন্টিনার চেয়ে ভালো ‘ক্লিন শিট’ রেকর্ড আর কোনো বিশ্বকাপ দল দেখাতে পারেনি। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। আফ্রিকার এই দলটি ৫৮টি ম্যাচ খেলে ৩৭টিতে গোল না খেয়ে শেষ করেছে, যা শতাংশের হিসেবে ৬৩.৮ শতাংশ। এরপর শীর্ষ পাঁচে রয়েছে সেনেগাল, জাপান এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। মরক্কো ম্যাচ সংখ্যার দিক থেকে তুলনামূলক বেশি খেলায় তাদের মোট ক্লিন শিট সংখ্যা আর্জেন্টিনার কাছাকাছি হলেও শতকরা হারে তারা পিছিয়ে রয়েছে। শীর্ষ পাঁচে বাকি তিন দল—সেনেগাল (৫৯%), জাপান (৫৫.৮%) ও ডিআর কঙ্গো (৫৫.৬%)। অন্যদিকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এই চক্রে রক্ষণভাগে উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছে। ৩৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ১১টিতে তারা ক্লিন শিট রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা শতাংশের হিসেবে ২৯.৭ শতাংশ এবং তালিকায় তাদের অবস্থান ৪৩তম। এই সময়ে ব্রাজিল ৪২টি গোল হজম করেছে, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ১.১৭ গোল। বিশ্ব ফুটবলের আরেক পরাশক্তি ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালও রক্ষণে প্রত্যাশিত সাফল্য দেখাতে পারেনি। ফ্রান্স ৪০ ম্যাচে ১৮টি, স্পেন ৩৮ ম্যাচে ১৮টি এবং পর্তুগাল ৪৯ ম্যাচে ২৩টি ক্লিন শিট পেয়েছে। ফলে এই তিনটি দলও শীর্ষ দশের বাইরে অবস্থান করছে। বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই পরিসংখ্যান ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার শক্তিশালী রক্ষণ ও ব্রাজিলের দুর্বল পারফরম্যান্স নিয়ে। ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে দলগুলোর রক্ষণভাগের এই চিত্র ভবিষ্যৎ পারফরম্যান্স নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow