গোল নাকি গোলাবর্ষণ? শ্যাভেজের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করা অসাধারণ গোলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল মেক্সিকো মিডফিল্ডার লুইস শ্যাভেজের সেই দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে করা গোল। যেটা শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং শক্তির সঙ্গে দুর্দান্ত নিখুঁত ফ্রি-কিকের জন্যও আলাদা করে আলোচনায় এসেছে। দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে মেক্সিকো এবং সৌদি আরবের লড়াইয়ে ম্যাচের ৫২তম মিনিটে ফ্রি কিক থেকে এই গোলটি করেন লুইস শ্যাভেজ। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দূরপাল্লার ফ্রি-কিক থেকে বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন শ্যাভেজ। তার বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটটি এতটাই গতিময় ছিল যে বলটি ১২১.৬৯ কিলোমিটার বেগে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক মোহাম্মদ মোহাম্মদ আল ওয়াইজের নাগালের বাইরে দিয়ে পোস্টে চলে যায়। অবাক করার বিষয়, সাধারণভাবে কার্ল বা বাঁকানো শটকে তুলনামূলক কম শক্তিশালী মনে করা হলেও এই গোলটি ছিল গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে জোরালো শটগুলোর একটি। পরিসংখ্যান বলছে, কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে শক্তিশালী শটের তালিকায় শ্যা‘ভেজের এই গোলটি ছিল শীর্ষের কাছাকাছি। তার ঠিক নিচেই রয়েছে রিতসু দোয়ানের স্পেনের বিপক্ষে করা গোল (১২০.০৪ কিমি/ঘণ্টা), নিকলাস ফুলক্রুগের

গোল নাকি গোলাবর্ষণ? শ্যাভেজের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করা অসাধারণ গোলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল মেক্সিকো মিডফিল্ডার লুইস শ্যাভেজের সেই দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে করা গোল। যেটা শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং শক্তির সঙ্গে দুর্দান্ত নিখুঁত ফ্রি-কিকের জন্যও আলাদা করে আলোচনায় এসেছে।

দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে মেক্সিকো এবং সৌদি আরবের লড়াইয়ে ম্যাচের ৫২তম মিনিটে ফ্রি কিক থেকে এই গোলটি করেন লুইস শ্যাভেজ।

ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দূরপাল্লার ফ্রি-কিক থেকে বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন শ্যাভেজ। তার বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটটি এতটাই গতিময় ছিল যে বলটি ১২১.৬৯ কিলোমিটার বেগে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক মোহাম্মদ মোহাম্মদ আল ওয়াইজের নাগালের বাইরে দিয়ে পোস্টে চলে যায়। অবাক করার বিষয়, সাধারণভাবে কার্ল বা বাঁকানো শটকে তুলনামূলক কম শক্তিশালী মনে করা হলেও এই গোলটি ছিল গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে জোরালো শটগুলোর একটি।

Mexico

পরিসংখ্যান বলছে, কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে শক্তিশালী শটের তালিকায় শ্যা‘ভেজের এই গোলটি ছিল শীর্ষের কাছাকাছি। তার ঠিক নিচেই রয়েছে রিতসু দোয়ানের স্পেনের বিপক্ষে করা গোল (১২০.০৪ কিমি/ঘণ্টা), নিকলাস ফুলক্রুগের জার্মানির হয়ে স্পেনের বিপক্ষে গোল (১১৮ কিমি/ঘণ্টা), ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি (১১৭.৩৯ কিমি/ঘণ্টা) এবং মার্কাস রাশফোর্ডের ওয়েলসের বিপক্ষে ফ্রি-কিক (১১৫.৬৩ কিমি/ঘণ্টা)।

পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে শক্তিশালী শটটি ছিল কিলিয়ান এমবাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে করা ভলি থেকে করা গোল, যার গতি ছিল ১২৩.৩৪ কিমি/ঘণ্টা; সেই হিসেবে শ্যাভেজের গোলটি ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গতির শটগুলোর একটি।

তবে এত অসাধারণ গোলও শেষ পর্যন্ত মেক্সিকোর ভাগ্য বদলাতে পারেনি। ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জয় পেলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তারা নকআউট পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয়, যেখানে পোল্যান্ডের এগিয়ে যায়। ফলে টানা অষ্টমবারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় মেক্সিকোকে।

তবুও লুইস শ্যাভেজের এই ফ্রি-কিক গোলটি কাতার বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে আছে। শক্তি, কারিগরি দক্ষতা এবং নিখুঁত লক্ষ্যভেদের এক অনন্য সমন্বয়ে তৈরি এই গোলটি প্রমাণ করে, ফুটবলে সৌন্দর্য আর শক্তি একসঙ্গে মিলেও ইতিহাস লেখা যায়।

গোলটির ভিডিও দেখুন এ লিংকে...

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow