গোয়াইনঘাট পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটি ঘোষণা
দেশে সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও সাম্প্রদায়িক হামলার সুষ্ঠু বিচার হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন।
তিনি বলেন, সরকার আসে-যায়, কিন্তু সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর চালিত নির্যাতন বন্ধ হয় না। হামলা ও লুটপাটের ঘটনার পর অনেক সময় কেউ দুঃখ প্রকাশও করেন না।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা সদরস্থ শিববাড়ি মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই দেশে সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের কোনো বিচার হয় না। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের শিকার হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিভিন্ন ঘটনায় তদন্ত কমিটি হয়, মামলা হয়, কিন্তু বিচার হয় না।
তিনি আরও বলেন, সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও নিপীড়নের বিচারের বাণী অনেক সময় আশ্বাসের ফাইলেই বন্দি থাকে। তাই নিজেদের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
দুর্গোৎসবে সরকারি চাল বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সরকারের দেওয়া চাল গ্রহণ করি। কিন্ত
দেশে সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও সাম্প্রদায়িক হামলার সুষ্ঠু বিচার হয় না বলে অভিযোগ করেছেন সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন।
তিনি বলেন, সরকার আসে-যায়, কিন্তু সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর চালিত নির্যাতন বন্ধ হয় না। হামলা ও লুটপাটের ঘটনার পর অনেক সময় কেউ দুঃখ প্রকাশও করেন না।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা সদরস্থ শিববাড়ি মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই দেশে সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের কোনো বিচার হয় না। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের শিকার হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিভিন্ন ঘটনায় তদন্ত কমিটি হয়, মামলা হয়, কিন্তু বিচার হয় না।
তিনি আরও বলেন, সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও নিপীড়নের বিচারের বাণী অনেক সময় আশ্বাসের ফাইলেই বন্দি থাকে। তাই নিজেদের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
দুর্গোৎসবে সরকারি চাল বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সরকারের দেওয়া চাল গ্রহণ করি। কিন্তু খয়রাতি চাল দিয়ে কেন মায়ের পূজা করব—এই মানসিকতা থেকে সনাতনীদের বেরিয়ে আসতে হবে। নিজেদের চাঁদায় দুর্গোৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলার আওতাধীন মন্দিরগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
গোয়াইনঘাট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুবাস চন্দ্র পাল ছানার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ দাস ও সুলাল কান্ত দের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জন ঘোষ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রচার সম্পাদক ও যুব ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব রজত কান্তি চক্রবর্তী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক লিপ্টন রঞ্জন তালুকদার, যুব ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য ও জৈন্তাপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রণত কান্ত দেব, জেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মিতিল পাল প্রান্ত, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গোপাল কৃষ্ণ দেব চন্দন, সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার চন্দ সন্তোষ এবং সিলেট মহানগর পূজা পরিষদের নেতা দীপক দাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এদিকে, মন্দিরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় অধিবেশনে সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়নের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জন ঘোষের সঞ্চালনায় সর্বসম্মতিক্রমে গোয়াইনঘাট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত কমিটিতে নিকলেশ দাশকে সভাপতি, নিত্যানন্দ দাসকে সাধারণ সম্পাদক এবং প্রশান্ত দে টিপলুকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
সম্মেলনে উপজেলার বিভিন্ন মন্দির কমিটির প্রতিনিধি, সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।