গোয়েন্দারা জানিয়েছে আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছে জিয়াউল

  আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম, খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ মে পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হাবিবুর রহমান মল্লিক আসামির আইনজীবীর জেরার জবাবে জানান, গোয়েন্দাদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তার ভাতিজা নজরুল ইসলামকে হত্যা করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান।  আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরা করেন আমিনুল গণি টিটো। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলাম ও মঈনুল করিমসহ অন্যরা। এর আগে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রসিকিউশনের চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে তিনি জবানবন্দি পেশ করেন। মামলায় একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসান গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। জেরায় হাবিবুর রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান।’ সাক্ষীর এমন কথা ‘অসত্

গোয়েন্দারা জানিয়েছে আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছে জিয়াউল

 

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম, খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ মে পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন।

ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হাবিবুর রহমান মল্লিক আসামির আইনজীবীর জেরার জবাবে জানান, গোয়েন্দাদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তার ভাতিজা নজরুল ইসলামকে হত্যা করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। 

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরা করেন আমিনুল গণি টিটো। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলাম ও মঈনুল করিমসহ অন্যরা।

এর আগে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রসিকিউশনের চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে তিনি জবানবন্দি পেশ করেন। মামলায় একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসান গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

জেরায় হাবিবুর রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান।’ সাক্ষীর এমন কথা ‘অসত্য’ বলে দাবি করেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী টিটো। সাক্ষীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনি এমন কথা জবানবন্দিতে উল্লেখ করেননি। তদন্ত কর্মকর্তার শেখানো মতে আজ জিয়াউলের নাম বলেছেন।’

জবাবে সাক্ষী বলেন, ‘নজরুলের হত্যার পর আমাদের বাড়িতে গোয়েন্দার লোকেরা ঘনঘন আসতেন। একদিন তারা জানিয়েছেন, ‘নজরুলকে হত্যা করেছে র‍্যাবের গোয়েন্দা প্রধান জিয়াউল আহসান।’

এ মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ মে দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। তবে তারিখ নির্ধারণে আপত্তি জানান জিয়াউলের বোন ও আইনজীবী নাজনীন নাহার। এসময় কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেন তিনি।

এ মামলায় গত ১৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। ১০৪ জনকে হত্যার ঘটনায় তার ‍বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠন করা হয়। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।

 

এফএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow