গৌরীপুরে খাল খননের অব্যয়িত টাকা কোষাগারে জমা দিচ্ছেন ইউএনও

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বলার বিল খাল ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয় বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা দাখিলে বিলম্ব ও প্রকল্প স্থানে পানি থাকায় সরকারের কোষাগারে ফেরত যাচ্ছে ৯৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা। দুটি খালের বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না হওয়ায় অব্যায়িত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা।  জানা গেছে, দুটি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা। এরমধ্যে বলার বিল খান পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয়া বিল খান পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাতে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে। দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা জানান, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শ্রমিকদের তালিকা দাখিলে বিলম্ব, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, নিয়োজিত শ্রমিকের সং

গৌরীপুরে খাল খননের অব্যয়িত টাকা কোষাগারে জমা দিচ্ছেন ইউএনও

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বলার বিল খাল ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয় বিল খাল পুনঃখনন প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা দাখিলে বিলম্ব ও প্রকল্প স্থানে পানি থাকায় সরকারের কোষাগারে ফেরত যাচ্ছে ৯৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

দুটি খালের বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না হওয়ায় অব্যায়িত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা। 

জানা গেছে, দুটি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দুটি খালে মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ২২৭ টাকা। এরমধ্যে বলার বিল খান পুনঃখনন প্রকল্পের ওয়েজ খাতের ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ও মইজগা-চাকুরিয়া ও ঢালিয়া বিল খান পুনঃখনন প্রকল্পের ননওয়েজ খাতে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত যাচ্ছে।

দুটি খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন এমপি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পা জানান, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শ্রমিকদের তালিকা দাখিলে বিলম্ব, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা কম হওয়ায় খালের ড্রেজিং ও স্লোপিংয়ের কাজ সঠিকভাবে করা সম্ভব হয়নি।
 
তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন না হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজে অব্যায়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ৬নং ও ৭নং ওয়ার্ডের বলার বিল খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অধীনে ওয়েজ খাতে ৭৬ লাখ ১০ হাজার ৮২৭ টাকা ও ননওয়েজ ৬৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০১ কোটি ৪০ লাখ ৬২৭ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। খালটির খনন কাজ শেষ হলে গড় গভীরতা ২.০ মিটার, ১ হাজার ৯শ মিটার উপরিভাগ ৬.৫ মিটার, তলদেশ ২.৫ মিটার, গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।

অপরদিকে, বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল হতে চাকুরিয়া বিল হয়ে ঢালিয়া বিল পর্যন্ত খান পুনঃখনন খাতে ওয়েজ ৪০ লাখ ৬০ হাজার ৩শ টাকা, ননওয়েজ ৫১ লাখ ২১ হাজার ৩শ টাকাসহ মোট ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৬শ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন হলে খালের গড় গভীরতা ২.০ মিটার, দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৯৩৬ মিটার উপরিভাগ ৭.৫ মিটার, তলদেশ ৩.৫ মিটার ও গড় গভীরতা ২ মিটার হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow