গৌরীপুরে হাটে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খোলার দাবিতে স্মারকলিপি
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধান বিক্রির হাটে ‘ধলতা’ প্রথা বন্ধ, ধানের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার লক্ষ্যে হাটে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খোলার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রোববার দুপুরে গৌরীপুর উপজেলা ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের পক্ষ থেকে ইউএনও কার্যালয়ে এই তিন দফা সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়। সংগঠনটির নেতারা জানান, প্রতি বছর ধান কাটার মৌসুমে কৃষকের মুখে হাসির বদলে দুশ্চিন্তার ছাপ পড়ে। এর প্রধান কারণ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য। বাজারে ধলতা প্রথার নামে প্রতি মণে কৃষকের কাছ থেকে ২ থেকে ৩ কেজি ধান অতিরিক্ত নেওয়া হয়, যা পুরোপুরি অবৈধ। স্মারকলিপি প্রদানকালে উপজেলা ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের সংগঠক আরিফুল বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে কৃষক ধানের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। আমরা এই অবৈধ ধলতা প্রথা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দাপট কমাতে সরাসরি হাটে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে। আরেক সংগঠক সাইদুর রহমান খান লিংকন বলেন, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহের সময় দেখা যায় সরকার চাল বেশি কেনে কিন্তু
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধান বিক্রির হাটে ‘ধলতা’ প্রথা বন্ধ, ধানের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার লক্ষ্যে হাটে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খোলার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে গৌরীপুর উপজেলা ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের পক্ষ থেকে ইউএনও কার্যালয়ে এই তিন দফা সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
সংগঠনটির নেতারা জানান, প্রতি বছর ধান কাটার মৌসুমে কৃষকের মুখে হাসির বদলে দুশ্চিন্তার ছাপ পড়ে। এর প্রধান কারণ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য। বাজারে ধলতা প্রথার নামে প্রতি মণে কৃষকের কাছ থেকে ২ থেকে ৩ কেজি ধান অতিরিক্ত নেওয়া হয়, যা পুরোপুরি অবৈধ।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপজেলা ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের সংগঠক আরিফুল বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে কৃষক ধানের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। আমরা এই অবৈধ ধলতা প্রথা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দাপট কমাতে সরাসরি হাটে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে।
আরেক সংগঠক সাইদুর রহমান খান লিংকন বলেন, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহের সময় দেখা যায় সরকার চাল বেশি কেনে কিন্তু ধান কেনে কম। এতে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হন না, বরং লাভবান হন চালকল মালিকরা। নানাবিধ অনিয়মের কারণে সাধারণ কৃষকরা গুদামে সরাসরি ধান দিতে পারেন না। তাই কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার বিকল্প নেই।
স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. খাইরুল ইসলাম, মো. ইব্রাহিম শেখ, ইমরান সরকার, মিলন সরকার, শহীদ মিয়া, সোহরাব মিয়া প্রমুখ।
গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফিয়া আমিন পাপ্পা স্মারকলিপি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কৃষকদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?