গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ জনের মধ্যে মামা-ভাগনির মৃত্যু

রাজধানীর নতুনবাজার এলাকায় বাসায় গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো মো. শাহীন (২৪) ও তার ভাগনি হাফছা (৮)। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টায় শাহীনের মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে একই স্থানে মারা যায় হাফছা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে নতুনবাজারের ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শাহীন ও হাফছা ছাড়াও দগ্ধ হন শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১)। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগ নিয়ে আসা হয়। আরও পড়ুন রাজধানীতে নিজের অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল চালকের তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, শাহীন এক দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এবং পরিবার নিয়ে ছয়তলা একটি ভবনের নিচতলায় থাকতেন। ভোরের দিকে সেখানে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। শাহীন ও হাফছার মৃত্যুর তথ্য জানিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিট

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ জনের মধ্যে মামা-ভাগনির মৃত্যু

রাজধানীর নতুনবাজার এলাকায় বাসায় গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলো মো. শাহীন (২৪) ও তার ভাগনি হাফছা (৮)। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টায় শাহীনের মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে একই স্থানে মারা যায় হাফছা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে নতুনবাজারের ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শাহীন ও হাফছা ছাড়াও দগ্ধ হন শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১)। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগ নিয়ে আসা হয়।

তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, শাহীন এক দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এবং পরিবার নিয়ে ছয়তলা একটি ভবনের নিচতলায় থাকতেন। ভোরের দিকে সেখানে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়।

শাহীন ও হাফছার মৃত্যুর তথ্য জানিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। শাহীনের স্ত্রী ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কেএজেডআইএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow