গ্রাম পুলিশ নিয়োগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় টাকার বান্ডিল গুনছেন। ভিডিওটির কথোপকথনে তাকে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়। ভিডিওতে শোনা যায়, তিনি বলছেন নিয়োগ বোর্ডে তিনি নিজে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থাকবেন। এছাড়া আরও কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি থাকার কথাও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইউএনও অফিসের এক ক্লার্কের সঙ্গেও টাকার লেনদেনের বিষয় উল্লেখ করতে শোনা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে। ভিডিওতে আরও অভিযোগ করা হয়, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য পদপ্রার্থী তামিমের কাছ থেকে নিয়োগের জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিওতে ঠিক কত টাকা লেনদেন হয়েছে বা কার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় টাকার বান্ডিল গুনছেন। ভিডিওটির কথোপকথনে তাকে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়।
ভিডিওতে শোনা যায়, তিনি বলছেন নিয়োগ বোর্ডে তিনি নিজে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থাকবেন। এছাড়া আরও কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি থাকার কথাও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইউএনও অফিসের এক ক্লার্কের সঙ্গেও টাকার লেনদেনের বিষয় উল্লেখ করতে শোনা যায় বলে দাবি করা হচ্ছে।
ভিডিওতে আরও অভিযোগ করা হয়, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য পদপ্রার্থী তামিমের কাছ থেকে নিয়োগের জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিওতে ঠিক কত টাকা লেনদেন হয়েছে বা কার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, চারজন গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগে প্রতি জনের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ধুলাসার ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মহিপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খাঁন জানান, নিয়োগ পরীক্ষার দিন তিনি বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন না। জরুরি বৈঠকের কারণে তিনি পটুয়াখালীতে ছিলেন এবং তার পরিবর্তে তদন্ত কর্মকর্তা অনিমেষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেন, ‘শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। টাকার লেনদেনের বিষয়ে আমি অবগত নই। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।’
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
What's Your Reaction?