গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান চালানোর লক্ষ্যে দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের একটি আক্রমণ পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন।  যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব বিস্তার ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি দ্বীপটি দখলের জন্য সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ট্রাম্পের এই অবস্থান ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। ডেইলি মেইল জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) গ্রিনল্যান্ডে আক্রমণ কীভাবে পরিচালিত হতে পারে, সে বিষয়ে একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক নেতৃত্ব জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এই উদ্যোগের

গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান চালানোর লক্ষ্যে দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের একটি আক্রমণ পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব বিস্তার ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি দ্বীপটি দখলের জন্য সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ট্রাম্পের এই অবস্থান ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

ডেইলি মেইল জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) গ্রিনল্যান্ডে আক্রমণ কীভাবে পরিচালিত হতে পারে, সে বিষয়ে একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক নেতৃত্ব জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছে। তাদের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এমন পদক্ষেপ আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিনল্যান্ড দখলের এই পরিকল্পনার পেছনে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী স্টিফেন মিলারসহ কয়েকজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক অভিযানে উৎসাহিত হয়ে তারা রাশিয়া বা চীন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই গ্রিনল্যান্ড ‘সুরক্ষিত’ করার পক্ষে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন।

একজন কূটনৈতিক সূত্র সতর্ক করে বলেন, গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান ন্যাটোর ভেতর থেকেই জোটটির ভাঙন ডেকে আনতে পারে। এমনকি এই পদক্ষেপ ইউরোপীয় দেশগুলোকে ন্যাটো ছাড়তে বাধ্য করতে পারে। ট্রাম্প যদি ন্যাটোর অবসান চান, তাহলে এটি হতে পারে তার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ।

এদিকে পৃথক এক প্রতিবেদনে ডেইলি টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো গ্রিনল্যান্ডে সম্ভাব্য সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও বিমান মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। তাদের লক্ষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা কোনো পদক্ষেপ প্রতিহত করা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow