গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রশান্তি ছড়াচ্ছে সোনালু
প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মের রুদ্ররূপ। তবে এই তপ্ত রোদেও প্রকৃতি সেজেছে বর্ণিল সাজে। কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে বাহারি ফুলের সমারোহে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুগ্ধতা।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন পথঘাট, বাড়ির আঙিনা ও জলাশয়ের ধারে এখন নজর কাড়ছে মনভুলানো অপরূপ ফুল ‘সোনালু’। সোনালি রঙের থোকা থোকা এ ফুলে সেজেছে প্রকৃতি। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, যেন প্রতিটি গাছে ঝুলে আছে অগণিত সোনার মালা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সোনালুর মোহনীয় রূপ প্রকৃতিতে এক অনন্য আবেশ ছড়িয়েছে। সোনালি রঙের ঝর্ণাধারার মতো এই ফুল পথচারী ও প্রকৃতি প্রেমীদের মনে প্রশান্তি এনে দিচ্ছে। বিশেষ করে তরুণী ও কিশোরীরা এই ফুল দিয়ে চুল সাজাচ্ছে, আর অনেকেই স্মৃতি ধরে রাখতে তুলছেন নজরকাড়া স্থিরচিত্র।
উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, সোনালুর বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া ফিস্টুলা (Cassia fistula)। এর ইংরেজি নাম ‘গোল্ডেন শাওয়ার ট্রি’। এটি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থানীয় উদ্ভিদ। সোনালুর আরও কিছু পরিচিত নাম রয়েছে, যেমন সোনারু, সোনাইল, সোদাল। তবে ফলগুলো দেখতে লাঠির মতো হওয়ায় গ্রামবাংলায় এটি ‘বান্দরলাঠি’ নামেও বেশ প
প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মের রুদ্ররূপ। তবে এই তপ্ত রোদেও প্রকৃতি সেজেছে বর্ণিল সাজে। কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে বাহারি ফুলের সমারোহে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুগ্ধতা।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন পথঘাট, বাড়ির আঙিনা ও জলাশয়ের ধারে এখন নজর কাড়ছে মনভুলানো অপরূপ ফুল ‘সোনালু’। সোনালি রঙের থোকা থোকা এ ফুলে সেজেছে প্রকৃতি। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, যেন প্রতিটি গাছে ঝুলে আছে অগণিত সোনার মালা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সোনালুর মোহনীয় রূপ প্রকৃতিতে এক অনন্য আবেশ ছড়িয়েছে। সোনালি রঙের ঝর্ণাধারার মতো এই ফুল পথচারী ও প্রকৃতি প্রেমীদের মনে প্রশান্তি এনে দিচ্ছে। বিশেষ করে তরুণী ও কিশোরীরা এই ফুল দিয়ে চুল সাজাচ্ছে, আর অনেকেই স্মৃতি ধরে রাখতে তুলছেন নজরকাড়া স্থিরচিত্র।
উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, সোনালুর বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া ফিস্টুলা (Cassia fistula)। এর ইংরেজি নাম ‘গোল্ডেন শাওয়ার ট্রি’। এটি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থানীয় উদ্ভিদ। সোনালুর আরও কিছু পরিচিত নাম রয়েছে, যেমন সোনারু, সোনাইল, সোদাল। তবে ফলগুলো দেখতে লাঠির মতো হওয়ায় গ্রামবাংলায় এটি ‘বান্দরলাঠি’ নামেও বেশ পরিচিত। এটি কেবল শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদই নয়, এর রয়েছে অনন্য ভেষজ গুণ।
কলেজ শিক্ষার্থী আফরোজা রাহমা ইভা বলেন, কলেজে যাওয়া-আসার পথে সোনালু ফুলে ভরা গাছগুলো দেখলে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। এই তীব্র গরমেও ফুলগুলো দারুণ মুগ্ধতা বিলাচ্ছে।
স্থানীয় শিক্ষক হুমায়ুন কবির জানান, সোনালু ফুল প্রকৃতির এক অনন্য সৌন্দর্যের প্রতীক। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপেও এই ফুল প্রকৃতির চেহারায় কোমলতা নিয়ে এসেছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা ও সৌন্দর্যবোধ তৈরিতে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (ইউনানি) ডা. মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, সোনালু কেবল সৌন্দর্যের জন্যই নয়, এটি ঔষধি গুণেও সমৃদ্ধ। ইউনানি চিকিৎসায় এর বিভিন্ন অংশ হালকা জ্বর, চর্মরোগ ও পেটের সমস্যায় ব্যবহৃত হয়। তবে যেকোনো ভেষজ ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আগের তুলনায় বর্তমানে সোনালু গাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় এ গাছটি সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।