ঘরে বসে আয় করার মেইল-মেসেজ পাচ্ছেন? সাবধান হোন এখনই

বর্তমান সময়ে ‘ঘরে বসে আয় করুন’, ‘শুধু কিছু ক্লিকেই মাসে লাখ টাকা উপার্জন করুন’ ধরনের মেইল বা মেসেজ প্রায়ই আমাদের ই-মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপে ইনবক্সে আসে। বিশেষ করে করোনার পর অনলাইনে আয়ের সুযোগকে কেন্দ্র করে এমন মেসেজের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, জি-মেইল বা ইনবক্সে ঘরে বসে আয় করার নামে মেসেজ ছড়িয়ে পড়ছে। তবে এই ধরনের অফারগুলোর বেশির ভাগই প্রতারণা বা ‘স্ক্যাম’। অনেকেই এরই মধ্যেই এ ধরনের মেসেজে ফাঁদে পড়েছেন এবং অর্থ বা ব্যক্তিগত তথ্য হারিয়েছেন। তাই পরিবার ও বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে। এই ধরনের মেইল বা মেসেজ সাধারণত কয়েকটি বৈশিষ্ট্যে মিল রয়েছে, যা দেখে সহজেই অনুমান করতে পারবেন এগুলো হ্যাকারদের কাজ। যেমন- ১. অতি প্রলোভনমূলক শিরোনাম: যেমন ‘শুধু ৫ মিনিটে দিনে ১০ হাজার টাকা আয় করুন’ বা ‘আপনি নির্বাচিত হয়েছেন ঘরে বসে আয়ের জন্য।’২. প্রাথমিক বিনিয়োগের দাবি: আপনাকে কিছু টাকা আগে দিতে বলা হয়, যা পরবর্তীতে একাধিক কারণে আরও বেড়ে যায়।৩. দ্রুত ফলাফল দেখানোর প্রতিশ্রুতি: বাস্তব জীবনে এ ধরনের আয় এত দ্রুত সম্ভব নয়।৪. ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ: ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, পরিচয়পত্রের কপি ইত্যাদি চ

ঘরে বসে আয় করার মেইল-মেসেজ পাচ্ছেন? সাবধান হোন এখনই

বর্তমান সময়ে ‘ঘরে বসে আয় করুন’, ‘শুধু কিছু ক্লিকেই মাসে লাখ টাকা উপার্জন করুন’ ধরনের মেইল বা মেসেজ প্রায়ই আমাদের ই-মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপে ইনবক্সে আসে। বিশেষ করে করোনার পর অনলাইনে আয়ের সুযোগকে কেন্দ্র করে এমন মেসেজের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

বিশেষ করে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, জি-মেইল বা ইনবক্সে ঘরে বসে আয় করার নামে মেসেজ ছড়িয়ে পড়ছে। তবে এই ধরনের অফারগুলোর বেশির ভাগই প্রতারণা বা ‘স্ক্যাম’। অনেকেই এরই মধ্যেই এ ধরনের মেসেজে ফাঁদে পড়েছেন এবং অর্থ বা ব্যক্তিগত তথ্য হারিয়েছেন। তাই পরিবার ও বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।

এই ধরনের মেইল বা মেসেজ সাধারণত কয়েকটি বৈশিষ্ট্যে মিল রয়েছে, যা দেখে সহজেই অনুমান করতে পারবেন এগুলো হ্যাকারদের কাজ। যেমন-

১. অতি প্রলোভনমূলক শিরোনাম: যেমন ‘শুধু ৫ মিনিটে দিনে ১০ হাজার টাকা আয় করুন’ বা ‘আপনি নির্বাচিত হয়েছেন ঘরে বসে আয়ের জন্য।’
২. প্রাথমিক বিনিয়োগের দাবি: আপনাকে কিছু টাকা আগে দিতে বলা হয়, যা পরবর্তীতে একাধিক কারণে আরও বেড়ে যায়।
৩. দ্রুত ফলাফল দেখানোর প্রতিশ্রুতি: বাস্তব জীবনে এ ধরনের আয় এত দ্রুত সম্ভব নয়।
৪. ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ: ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, পরিচয়পত্রের কপি ইত্যাদি চাওয়া হয়।

যে ধরনের বিপদে পড়তে পারেন-

১. অর্থনৈতিক ক্ষতি: একবার টাকা পাঠালে পুনরায় তা ফিরে পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
২. ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার: আপনার তথ্য চুরি হয়ে বিভিন্ন প্রতারণা বা চরম ক্ষেত্রে পরিচয় চুরি হতে পারে।
৩. আইনি ঝুঁকি: কখনো কখনো এসব স্ক্যাম আপনাকে অবৈধ কার্যক্রমে জড়াতে পারে।

যেভাবে নিরাপদ থাকবেন
১. অচেনা মেসেজে ক্লিক করবেন না। বিশেষ করে লিংক বা অ্যাটাচমেন্টে।
২. অতিরিক্ত আয় প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। বাস্তব আয় সাধারণত কঠোর পরিশ্রম এবং সময় সাপেক্ষ।
৩. ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ করবেন না। ব্যাংক, পাসওয়ার্ড, ফোন নম্বর বা পরিচয়পত্রের কপি কখনো।
৪. অনলাইনে যাচাই করুন। প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট, রিভিউ, বা সংবাদ মাধ্যমে এ ধরনের কোম্পানি আছে কি না দেখুন।
৫. সন্দেহজনক মেসেজ রিপোর্ট করুন। ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রিপোর্ট স্প্যাম’ বা ‘রিপোর্ট স্ক্যাম’ ব্যবহার করুন।

আরও পড়ুন
সোশ্যাল মিডিয়া নজর রাখছে আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও
সত্যিই কি ভবিষ্যতে ফোন-কম্পিউটার থাকবে না?

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, ইয়াহু নিউজ

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow