চট্টগ্রাম থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা, অলি বলেছিলেন ‘উই রিভল্ট’ : জামায়াত আমির

চট্টগামবাসীর উদ্দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে একাত্তর সালে স্বাধীনতার ঘোষণা এখান থেকে হয়েছিল। আপনাদেরই এক গর্বিত সন্তান সবার আগে চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন ‘উই রিভল্ট’। তিনি হচ্ছেন এলডিপির সম্মানিত সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম। জিয়াউর রহমান সাহেবকে হাতে ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।  সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামে বন্দর স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরী শুধু বন্দরনগরী নয়, এটি সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস আর প্রতিরোধের রাজধানী। চট্টলাবাসী আপনাদেরকে স্যালুট। এ গর্বিত ইতিহাসের আপনারাই সূচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘কেন তিনি (অলি) আজ আক্ষেপ করে বলেন- আমি লড়াই করেছি রণাঙ্গণে, আমি জাতীয়তাবাদী দল গঠনে দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলাম জিয়াউর রহমানের পরে। তিনি এখন বলেন আমি এখন বিএনপিতে নেই, থাকতে পারিনি। কারণ এটি জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়।’  ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের কাসুন্দি টেনে জাতিকে বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না। ধর্মে-বর্ণে আর কোনো ভেদাভেদ আমরা চাই না। সব ধর্মের মানুষ মিলে আমরা এ দ

চট্টগ্রাম থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা, অলি বলেছিলেন ‘উই রিভল্ট’ : জামায়াত আমির

চট্টগামবাসীর উদ্দেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে একাত্তর সালে স্বাধীনতার ঘোষণা এখান থেকে হয়েছিল। আপনাদেরই এক গর্বিত সন্তান সবার আগে চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন ‘উই রিভল্ট’। তিনি হচ্ছেন এলডিপির সম্মানিত সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম। জিয়াউর রহমান সাহেবকে হাতে ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামে বন্দর স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরী শুধু বন্দরনগরী নয়, এটি সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস আর প্রতিরোধের রাজধানী। চট্টলাবাসী আপনাদেরকে স্যালুট। এ গর্বিত ইতিহাসের আপনারাই সূচনা করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘কেন তিনি (অলি) আজ আক্ষেপ করে বলেন- আমি লড়াই করেছি রণাঙ্গণে, আমি জাতীয়তাবাদী দল গঠনে দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলাম জিয়াউর রহমানের পরে। তিনি এখন বলেন আমি এখন বিএনপিতে নেই, থাকতে পারিনি। কারণ এটি জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়।’ 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের কাসুন্দি টেনে জাতিকে বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না। ধর্মে-বর্ণে আর কোনো ভেদাভেদ আমরা চাই না। সব ধর্মের মানুষ মিলে আমরা এ দেশকে ফুলের বাগান হিসেবে সাজাতে চাই। সবার জন্য আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। বিশেষ করে মা-বোনদের জন্য, চলাচল এবং কর্মস্থলে সব শক্তি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। মায়ের মর্যাদায় মাথার ওপরে তুলে রাখব ইনশাল্লাহ।

এ সময় মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় দলের প্রধান শফিকুর চট্টগ্রাম-১০, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১ ও খাগড়াছড়ি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে ভোটের শরিক দল এনসিপির প্রার্থীর হাতে শাপলা কলি তুলে দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow