চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি জাহাজের ব্যস্ততা, খালাস চলছে পুরোদমে
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা জ্বালানিবাহী জাহাজের খালাস কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। কাতার, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এলএনজি, এলপিজি, অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস অয়েল নিয়ে জাহাজগুলো বন্দরে ভিড়ছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ তাদের পণ্য খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে। এর মধ্যে কাতার থেকে আসা এলএনজিবাহী জাহাজ ‘আল জোরে’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ সফলভাবে গ্যাস খালাস শেষ করেছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এমইজি (MEG) নিয়ে আসা বে ইয়াসু এবং সিঙ্গাপুর থেকে এইচএসএফও (HSFO) নিয়ে আসা ইল্যান্ড্রা স্প্রুস ও হাফনিয়া ববক্যাট পণ্য খালাস শেষে বন্দর ছেড়েছে। এদিকে কুতুবদিয়ায় অপরিশোধিত তেলবাহী ওমেরা গ্যালাক্সি এবং গ্যাস অয়েলবাহী জিউ চি জাহাজও তাদের খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বর্তমানে বন্দরে আরও কয়েকটি জাহাজের পণ্য খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কাতার থেকে আসা লুসাইল নামের এলএনজিবাহী জাহাজটি প্রায় ২০ হাজার ইউনিট এলএনজি নিয়ে ভাসমান এলএনজি টার্
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা জ্বালানিবাহী জাহাজের খালাস কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। কাতার, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এলএনজি, এলপিজি, অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস অয়েল নিয়ে জাহাজগুলো বন্দরে ভিড়ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ তাদের পণ্য খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে। এর মধ্যে কাতার থেকে আসা এলএনজিবাহী জাহাজ ‘আল জোরে’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ সফলভাবে গ্যাস খালাস শেষ করেছে।
এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এমইজি (MEG) নিয়ে আসা বে ইয়াসু এবং সিঙ্গাপুর থেকে এইচএসএফও (HSFO) নিয়ে আসা ইল্যান্ড্রা স্প্রুস ও হাফনিয়া ববক্যাট পণ্য খালাস শেষে বন্দর ছেড়েছে।
এদিকে কুতুবদিয়ায় অপরিশোধিত তেলবাহী ওমেরা গ্যালাক্সি এবং গ্যাস অয়েলবাহী জিউ চি জাহাজও তাদের খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বর্তমানে বন্দরে আরও কয়েকটি জাহাজের পণ্য খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কাতার থেকে আসা লুসাইল নামের এলএনজিবাহী জাহাজটি প্রায় ২০ হাজার ইউনিট এলএনজি নিয়ে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এলাকায় অবস্থান করছে। এই জাহাজের খালাস কার্যক্রম আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া ওমান থেকে আসা এলপিজি সেভান ও জি ওয়াইএমএম নামের দুটি জাহাজ যথাক্রমে কুতুবদিয়া ও ব্রাভো পয়েন্ট এলাকায় নোঙর করে ২৩ হাজার ইউনিটের বেশি এলপিজি খালাস করছে। সিঙ্গাপুর থেকে আসা লিয়ান হুয়ান হু জাহাজ থেকেও প্রায় ৬ হাজার ইউনিট গ্যাস অয়েল খালাসের কাজ চলছে, যা ১১ মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে আরও কয়েকটি জাহাজ বন্দরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে আল গালায়েল ও এপিক সানটার নামের দুটি জাহাজ ১১ মার্চ এবং এসপিটি থেমিস ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে লেব্রেথাহ নামের আরেকটি জাহাজ আগামী ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?