চট্টগ্রাম বার নির্বাচন ঘিরে আদালতপাড়ায় রণক্ষেত্র, জামায়াতপন্থিদের বয়কট

ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে আদালতপাড়া। মনোনয়ন সংগ্রহ নিয়ে দুপক্ষের হাতাহাতি এবং সবশেষে জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ঘোষণায় এক নজিরবিহীন অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩৩ বছরের ইতিহাসে এমন পেশিশক্তির মহড়া আর বিশৃঙ্খলা আগে কখনো দেখেনি বারের সদস্যরা। উৎসবের আমেজ ছাপিয়ে এখন সেখানে বিরাজ করছে টান টান উত্তেজনা আর একতরফা নির্বাচনের আশঙ্কা।  ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (৪ মে)। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুপুর আড়াইটার দিকে ‘সাধারণ আইনজীবী’ ব্যানারে সভাপতি প্রার্থী আবদুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফখরুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্যানেল ফরম নিতে বার লাইব্রেরিতে যান। ঠিক তখনই বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা তাদের প্রবেশে বাধা দিলে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা। মুহূর্তের মধ্যেই তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উত্তেজনার মুখে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আদালত পাড়ায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। এদিকে, সমমনা আইনজীবী সংসদের ব্যানারে ফরম নিতে গিয়ে আহত হন সাবেক এজিএস অ্য

চট্টগ্রাম বার নির্বাচন ঘিরে আদালতপাড়ায় রণক্ষেত্র, জামায়াতপন্থিদের বয়কট
ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে আদালতপাড়া। মনোনয়ন সংগ্রহ নিয়ে দুপক্ষের হাতাহাতি এবং সবশেষে জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ঘোষণায় এক নজিরবিহীন অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩৩ বছরের ইতিহাসে এমন পেশিশক্তির মহড়া আর বিশৃঙ্খলা আগে কখনো দেখেনি বারের সদস্যরা। উৎসবের আমেজ ছাপিয়ে এখন সেখানে বিরাজ করছে টান টান উত্তেজনা আর একতরফা নির্বাচনের আশঙ্কা।  ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (৪ মে)। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুপুর আড়াইটার দিকে ‘সাধারণ আইনজীবী’ ব্যানারে সভাপতি প্রার্থী আবদুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফখরুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্যানেল ফরম নিতে বার লাইব্রেরিতে যান। ঠিক তখনই বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা তাদের প্রবেশে বাধা দিলে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা। মুহূর্তের মধ্যেই তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উত্তেজনার মুখে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আদালত পাড়ায় মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। এদিকে, সমমনা আইনজীবী সংসদের ব্যানারে ফরম নিতে গিয়ে আহত হন সাবেক এজিএস অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রাসেল। অভিযোগ উঠেছে, বিএনপিপন্থীদের হামলায় তিনি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় জামায়াত সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তপশিল লঙ্ঘন ও তালিকা প্রকাশে ব্যর্থতা, আসন ভাগাভাগির অনৈতিক প্রস্তাব, মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমায় বাধা, নির্বাচন কমিশনের একপেশে ভূমিকাসহ নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ না করায় বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের আইনি ক্ষমতা হারিয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। জানতে চাইলে ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুল আলম কালবেলাকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী বুধবার (৫ মে) বিকেল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দুজন জামায়াতপন্থী এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ বাকি তিনজন বিএনপিপন্থি। তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও তাদের সমর্থিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ তিনজন আমাদের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম বারে কোনো নির্বাচন হবে না, আসন ভাগাভাগি হবে। কিন্তু আমরা বিনাভোটে নির্বাচনে বিশ্বাসী নই। ১৩৩ বছরের ইতিহাসে আইনজীবীরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, আমরা সেই ধারাবাহিকতা চাই।’ তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের আর কার্যকর কোনো ক্ষমতা নেই। এ বিষয়ে তারা লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর এই দাবি জানানো হয়। সমিতির গঠনতন্ত্র রক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বর্তমান 'অবৈধ' কমিশন বাতিল করে নতুন কমিশন গঠন এবং পুনরায় নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার জন্য অনুরোধ জানায় ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ। জানা গেছে, আবেদনটি বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সমিতির ১৩৫ বছরের ঐতিহ্য ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বর্তমান নির্বাচন কমিশন তা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। ৪ মে নির্ধারিত সময়ে ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদের প্রার্থীরা ফর্ম সংগ্রহ ও জমা দিলেও, তফশিল অনুযায়ী পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ মে, বিকেল ৫টায় বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। তবে এই বয়কটকে ‘নাটক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট রৌশন আরা বেগম। তিনি কালবেলাকে বলেন, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার মধ্যেই বৈধ প্রার্থীদের তালিকা নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়েছে। এর পরও সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলা অযৌক্তিক। তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র জমার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময় ও নিয়ম মানা হয়নি। চেকের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। এ কারণে কিছু প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসন ভাগাভাগির অভিযোগও ভিত্তিহীন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ীই সব প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলার সাবেক পিপি ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নির্বাচন স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম কালবেলাকে বলেন, চট্টগ্রাম বারের ১৩৩ বছরের গৌরবময় ইতিহাসে বিগত ১৭ বছরের নির্বাচন নিয়ে যে ফ্যাসিবাদী অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট। গত ১৭ বছর প্রতিটি নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সমমনা দলসমূহ এবং ডান-বাম ও জামায়াতপন্থি সব আইনজীবী অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ সেশনে আমরা দেখলাম, তারা ফ্যাসিবাদকেও হার মানিয়ে অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক কায়দায় আমাদের মনোনয়ন ফরম নিতে বাধা দিয়েছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনা গণমাধ্যমের সুবাদে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও মানুষের নজরে এসেছে। চট্টগ্রাম বারের দুর্নীতিমুক্ত ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তির যে সুনাম দীর্ঘকাল ধরে ছিল, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। পেশাগত সম্পর্কের অবনতি নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আইনজীবী সমাজে এতদিন সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে যে সুদৃঢ় ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ছিল, গতদিনের আক্রমণের মাধ্যমে তা ছিন্ন করা হয়েছে। আমাদের এই বারে দীর্ঘকাল ধরে জুনিয়ররা সিনিয়রদের পিতৃতুল্য সম্মান দিয়ে আসতেন। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, সেই চিরাচরিত সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ আজ পরাজিত এবং চরমভাবে লাঞ্ছিত। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী নেতা এইচ এম জিয়াউদ্দিন কালবেলাকে বলেন, আমরা সাধারণ আইনজীবীদের ব্যানারে ‘রশীদ-জাবেদ-মাহতাব’ পরিষদের ২১ সদস্য বিশিষ্ট প্যানেলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়ার বিধান থাকলেও, বর্তমান কমিশন নির্বাচনকে প্রহসনে রূপ দিতে মাত্র ২ ঘণ্টার (দুপুর ৩টা - ৫টা) একটি সংক্ষিপ্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন সোমবার দুপুর ২টা ৪১ মিনিটে আমরা ফরম সংগ্রহের জন্য অবস্থান নেই। ওই সময় গেটে দায়িত্বরতরা আমাদের প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করে। আমাদের সঙ্গে প্রায় ৪০০ জন প্রকৃত আইনজীবী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও আমাদের ফরম নিতে দেওয়া হয়নি। এ সময় আমাদের আইনজীবীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও দুর্ব্যবহার করা হয় এবং এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরও মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই অন্যায়ের প্রতিবাদে আমরা মুখে কালো মাস্ক পরে শান্তিপূর্ণ মৌন মিছিলের মাধ্যমে ঘৃণা ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছি। বর্তমান নেতৃত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বর্তমানে যারা সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দাবি করছেন, তারা মূলত অবৈধভাবে এবং পেশ পেশিশক্তির জোরে সমিতি দখল করে আছেন। তারা আমাদের ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেও আমাদের প্যানেলের কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন একটি সাজানো পুতুলের মতো কাজ করছে এবং তাদের নকশা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পক্ষকে ‘অটোপাস’ করানোর লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে। কমিশনকে এ বিষয়ে কল করা হলে তারা নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে জিয়াউদ্দিন আরও বলেন, ‘আমাদের একজন জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে নির্বাচনে লড়াই করার সক্ষমতাও তাদের নেই। ১০ হাজার সদস্যের এই সমিতিতে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হয়। যারা নির্বাচনে জেতার ক্ষমতা রাখে না, তারা মাঠ দখলের চেষ্টা করছে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘সাধারণ আইনজীবীদের চাঁদায় চলা এই সমিতির তহবিলের নিরাপত্তা এখন হুমকির মুখে, কারণ মনোনীত প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে না।’ অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে জামায়াত নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আমরা কাউকে নির্বাচনে বাধা দিইনি। তারা যদি তখন নির্বাচন করতে পারে, তবে এখন কেন আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে? গঠনতন্ত্রে তো কাউকে 'ফ্যাসিস্ট' হিসেবে চিহ্নিত করার কোনো বিধান নেই। আসন ভাগাভাগি ও তারিখ পরিবর্তন প্রসঙ্গে জিয়াউদ্দিন অভিযোগ করেন যে, চট্টগ্রাম বারের গঠনতন্ত্রকে তারা নিজেদের ইচ্ছামতো ব্যবহার করছে। সাধারণত ১০ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তারা সময়ক্ষেপণ করে তা ২১ মে পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। বিএনপি-জামায়াত মিলে আসন ভাগাভাগির মাধ্যমে এক স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে বার সমিতিকে কুক্ষিগত করে রেখেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার। তিনি বলেন, ‘কোনো হাতাহাতি হয়নি, উত্তেজনাও ছিল না। কিছু ব্যক্তি এসে পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছে, সাধারণ আইনজীবীরাই তাদের বাধা দিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে কেউ কেউ নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নগদ অর্থ জমা না দিয়ে চেক দিয়েছেন, যা গঠনতন্ত্রে বৈধ নয়। এ কারণে কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচনি কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট এইচ এম আশরাফ উদ্দীন বলেন, এবারের নির্বাচনে ৫ হাজারের অধিক ভোটার ভোট প্রয়োগ করবেন। এদিকে, তপশিল অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও জামায়াতপন্থিদের বয়কট এবং আওয়ামী পন্থিদের মনোনয়ন না পাওয়ার অভিযোগে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ৫ হাজারেরও বেশি ভোটারের এই সমিতিতে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। সাধারণ আইনজীবীদের মতে, বারের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে সব পক্ষকে নিয়ে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, নতুবা এই দীর্ঘ ইতিহাস কলঙ্কিত হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow