চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ারের প্রার্থিতা বৈধ, শপথে আর বাধা নেই: হাইকোর্ট

চট্টগ্রাম-২ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তার শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন  আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির এবং আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। মামলার নথি অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ারের প্রার্থিতা বাতিল করে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করলে গত ২৭ জানুয়ারি আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেন। তবে পরবর্তীতে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ

চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ারের প্রার্থিতা বৈধ, শপথে আর বাধা নেই: হাইকোর্ট
চট্টগ্রাম-২ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তার শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন  আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির এবং আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। মামলার নথি অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ারের প্রার্থিতা বাতিল করে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করলে গত ২৭ জানুয়ারি আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেন। তবে পরবর্তীতে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনের ফল প্রকাশ স্থগিত রাখা হয়। এর মধ্যেই ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। পরে গত ১৬ জুন আপিল বিভাগ আপিল নিষ্পত্তি করে দ্রুত রুলের শুনানি শেষ করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২ জুলাই শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করা হয়। আজকের রায়ে হাইকোর্ট সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করায় চট্টগ্রাম-২ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে তার শপথ গ্রহণে আর বাধা থাকল না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow