চট্টগ্রামে কারখানায় ডাকাতি ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড আবুল খায়ের স্টিল কারখানায় ডাকাতি ও ভাঙচুরের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের একাধিক টিমের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, বুরা মিয়ার পুত্র মো. জামাল (৩৮), বোরহান উদ্দিনের ছেলে রমজান আলী (২৮), রুহুল আমিনের ছেলে মো. রনি (২০), মৃত আবুল মনসুরের ছেলে মো. এছহাক (৪৮), মফিজুর রহমানের ছেলে আরশাদুর রহমান মিজান (২০), নুর ইসলামের ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৪৮), মৃত আবুল বশরের ছেলে মো. খোকন (৩০)। জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ২৫ থেকে ৩০ জনের সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারী একটি ডাকাত দল সীতাকুণ্ড আবুল খায়ের স্টিল কারখানায় এসে ডাকাতির চেষ্টা করে। এ সময় মিলের শ্রমিকদের চিৎকারে এলাকার মানুষ এগিয়ে আসেন। সকলের সহযোগিতায় ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা পিছু হটে। এ ঘটনায় মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫-২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, আবুল খায়ের স্টলে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড আবুল খায়ের স্টিল কারখানায় ডাকাতি ও ভাঙচুরের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের একাধিক টিমের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, বুরা মিয়ার পুত্র মো. জামাল (৩৮), বোরহান উদ্দিনের ছেলে রমজান আলী (২৮), রুহুল আমিনের ছেলে মো. রনি (২০), মৃত আবুল মনসুরের ছেলে মো. এছহাক (৪৮), মফিজুর রহমানের ছেলে আরশাদুর রহমান মিজান (২০), নুর ইসলামের ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৪৮), মৃত আবুল বশরের ছেলে মো. খোকন (৩০)।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ২৫ থেকে ৩০ জনের সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারী একটি ডাকাত দল সীতাকুণ্ড আবুল খায়ের স্টিল কারখানায় এসে ডাকাতির চেষ্টা করে। এ সময় মিলের শ্রমিকদের চিৎকারে এলাকার মানুষ এগিয়ে আসেন। সকলের সহযোগিতায় ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা পিছু হটে।
এ ঘটনায় মো. আলাউদ্দিন বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫-২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, আবুল খায়ের স্টলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছ। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। রোববার আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?