চট্টগ্রামে ফলাফল নির্ধারক হতে পারে তরুণ ও পোস্টাল ভোট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ১৬টি আসনে অনেক প্রার্থীর জয়-পরাজয়ের নির্ধারক হতে পারে তরুণ ও পোস্টাল ভোট। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবারের নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে পোস্টাল ব্যালট। ফলে প্রবাসী ভোটাররাও ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এ আসনগুলোতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এবার মোট ভোটার বেড়েছে ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ১২৪ জন। অপরদিকে পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার। যাদের বড় অংশ তরুণ। এবার ভোটে তরুণদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পোস্টাল ভোটের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামে ১৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোস্টাল ভোটার হচ্ছে চট্টগ্রাম-১৫ ( লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে। এ আসনে পোস্টাল ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ২৭২ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম-২ আসনে ৭ হাজার ৬৮১ জন। চট্টগ্রাম-৫ আসনে ৬ হাজার ৭৭০ জন। চট্টগ্রাম-১৬ আসনে ৬ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম-১ আসনে ৬ হাজার ৫৭২ জন। চট্টগ্রাম-১০ আসনে ৬ হাজার ১২৮ জন। চট্টগ্রাম-১১ আসনে ৫ হাজার ৯৪০ জন। চট্টগ্রাম-৭ আসনে ৫ হাজার ৮৪৪ জন। চট্টগ্রাম-৮ আসনে ৫ হাজার ৫৯৩ জন। চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ৫ হাজার ২৭২ জ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে ১৬টি আসনে অনেক প্রার্থীর জয়-পরাজয়ের নির্ধারক হতে পারে তরুণ ও পোস্টাল ভোট।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবারের নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে পোস্টাল ব্যালট। ফলে প্রবাসী ভোটাররাও ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এ আসনগুলোতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এবার মোট ভোটার বেড়েছে ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ১২৪ জন। অপরদিকে পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার। যাদের বড় অংশ তরুণ। এবার ভোটে তরুণদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পোস্টাল ভোটের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামে ১৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পোস্টাল ভোটার হচ্ছে চট্টগ্রাম-১৫ ( লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে। এ আসনে পোস্টাল ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ২৭২ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম-২ আসনে ৭ হাজার ৬৮১ জন। চট্টগ্রাম-৫ আসনে ৬ হাজার ৭৭০ জন। চট্টগ্রাম-১৬ আসনে ৬ হাজার ৭১৪ জন।
এছাড়া চট্টগ্রাম-১ আসনে ৬ হাজার ৫৭২ জন। চট্টগ্রাম-১০ আসনে ৬ হাজার ১২৮ জন। চট্টগ্রাম-১১ আসনে ৫ হাজার ৯৪০ জন। চট্টগ্রাম-৭ আসনে ৫ হাজার ৮৪৪ জন। চট্টগ্রাম-৮ আসনে ৫ হাজার ৫৯৩ জন। চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ৫ হাজার ২৭২ জন। চট্টগ্রাম-৩ আসনে ৪ হাজার ৭৮৪ জন। চট্টগ্রাম-৪ আসনে ৫ হাজার ১৩৯ জন। চট্টগ্রাম-৬ আসনে ৩ হাজার ৯৯৮ জন। চট্টগ্রাম-৯ আসনে ৩ হাজার ৮২৫ জন। চট্টগ্রাম-১২ আসনে ৩ হাজার ১৯৮ জন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ৩ হাজার ২১১ জন।
এদিকে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত থাকেন পুলিশ সদস্যরা। নিজ এলাকায় ভোটার হলেও অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ভোট দেওয়ার সুযোগ হয় না তাদের। এবার পোস্টাল ব্যালট হওয়ার সুবাদে ভোট দিয়েছেন তারাও।
সিএমপিতে কর্মরত একাধিক পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে কালবেলাকে বলেন, দায়িত্ব পালনের জন্য নিজ এলাকায় ভোট প্রদান করা সম্ভব হয় না। এবার পোস্টাল ব্যালটে তা দেওয়ার সুযোগ হয়েছে।
অপরদিকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন নিবন্ধিত করাবন্দিরা। এ কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এ পর্যন্ত ৩২০ জন বন্দী ভোট দিয়েছেন বলে কালেবেলাকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।
ভোট প্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি নিবন্ধিত বন্দিকে একটি প্যাকেটে তিনটি খাম দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি ব্যালট পেপার এবং গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—এই দুটি বিকল্পসহ পৃথক ব্যালট পেপার রয়েছে। ভোট প্রদান শেষে বন্দিরা খামগুলো সিল করে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন। পরে ডাক বিভাগের এক্সপ্রেস সার্ভিসের মাধ্যমে সেগুলো নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়।
চট্টগ্রামের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন কালবেলাকে জানান, ‘শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত কারাগারে নিবন্ধিত ৩৭৯ জন বন্দীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩২০ জন ভোট দিয়েছেন। অবশিষ্টদের ভোট গ্রহণ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে বন্দীরা গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ৩৭৯ জন নিবন্ধন করেছেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।’
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, গত ১৭ বছর ধরে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে সবকটি নির্বাচন ছিল নিয়ন্ত্রিত। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে স্থানীয় সকল নির্বাচন ছিল ‘প্রশ্নবিদ্ধ’। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন থেকে সর্বশেষ আমি-ডামি নির্বাচনে নিয়ন্ত্রিত ভোটের কারণে সাধারণ ভোটাররা ভোটবিমুখ হয়ে পড়েছেন।
What's Your Reaction?