চট্টগ্রামে বসন্ত-ভালোবাসা দিবসেও ফুলের বাজার মন্দা
নির্বাচনের উত্তাপের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের ফুলের বাজারে এবার মৌসুমি চাঙ্গাভাব দেখা যায়নি। সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, পরিবহন সংকট ও আংশিক দোকান বন্ধ থাকায় বসন্তবরণ ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রত্যাশিত বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে খুচরা বাজারে ফুলের দাম বেড়েছে, কিন্তু ক্রেতা কম। চট্টগ্রামের ফুলের প্রধান বিপণিকেন্দ্র চেরাগী পাহাড়-মোমিন রোড এলাকায় প্রায় ছয় ডজন দোকান রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মোড় ও বাণিজ্যিক এলাকায় আরও কয়েকশো ফুলের দোকান আছে। অন্য বছর এই সময়ে দোকানজুড়ে ফুলের স্তূপ থাকলেও এবার অনেক দোকানে মজুত সীমিত দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের মতে, নির্বাচনের কারণে দূরবর্তী এলাকা থেকে ফুল আনা-নেওয়া ব্যাহত হয়েছে। কিছু পরিবহন চলাচল সীমিত থাকায় পাইকারি চালান সময়মতো পৌঁছায়নি, ফলে চাহিদার সময়েও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। দেশের বড় ফুল উৎপাদন কেন্দ্র যশোর থেকে গোলাপ, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধাসহ নানা ফুল চট্টগ্রামে আসে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, মাঠপর্যায়ে দাম কম হলেও পরিবহন খরচ, নষ্টের ঝুঁকি ও সংরক্ষণের সীমিত সুবিধার কারণে খুচরা বাজারে দাম বেড়ে যায়। কুলিং স্টোরেজ না থাকায় ফুল দীর্ঘসময় সতেজ রাখা কঠিন। এ
নির্বাচনের উত্তাপের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের ফুলের বাজারে এবার মৌসুমি চাঙ্গাভাব দেখা যায়নি। সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, পরিবহন সংকট ও আংশিক দোকান বন্ধ থাকায় বসন্তবরণ ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রত্যাশিত বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে খুচরা বাজারে ফুলের দাম বেড়েছে, কিন্তু ক্রেতা কম।
চট্টগ্রামের ফুলের প্রধান বিপণিকেন্দ্র চেরাগী পাহাড়-মোমিন রোড এলাকায় প্রায় ছয় ডজন দোকান রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মোড় ও বাণিজ্যিক এলাকায় আরও কয়েকশো ফুলের দোকান আছে। অন্য বছর এই সময়ে দোকানজুড়ে ফুলের স্তূপ থাকলেও এবার অনেক দোকানে মজুত সীমিত দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, নির্বাচনের কারণে দূরবর্তী এলাকা থেকে ফুল আনা-নেওয়া ব্যাহত হয়েছে। কিছু পরিবহন চলাচল সীমিত থাকায় পাইকারি চালান সময়মতো পৌঁছায়নি, ফলে চাহিদার সময়েও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
দেশের বড় ফুল উৎপাদন কেন্দ্র যশোর থেকে গোলাপ, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধাসহ নানা ফুল চট্টগ্রামে আসে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, মাঠপর্যায়ে দাম কম হলেও পরিবহন খরচ, নষ্টের ঝুঁকি ও সংরক্ষণের সীমিত সুবিধার কারণে খুচরা বাজারে দাম বেড়ে যায়। কুলিং স্টোরেজ না থাকায় ফুল দীর্ঘসময় সতেজ রাখা কঠিন।
এবার বাজারে ‘ক্যাপ গোলাপ’ নামে পরিচিত কলি অবস্থার গোলাপের চাহিদা বেশি। বিশেষ ফোম নেট দিয়ে ঢেকে রাখায় এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় না। খুচরা বাজারে প্রতিটি ফুল ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তরুণ ক্রেতাদের আগ্রহ থাকলেও উচ্চ দামের কারণে অনেকেই কিনতে পারছেন না।
চট্টগ্রাম শহরের পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতেও ফুলচাষ কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আবহাওয়া পরিবর্তন, আগাম ফুল ফোটা এবং বিক্রিতে অনিশ্চয়তার কারণে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না চাষিরা। দক্ষিণাঞ্চলের উৎপাদন কেন্দ্র চকরিয়া থেকেও আগের তুলনায় কম ফুল আসছে, এবং অনেক জমিতে বিকল্প ফসলের চাষ বেড়েছে।
খুচরা বাজারে বর্তমানে দেশি গোলাপ ৩০-৪০ টাকা, আমদানি করা বা চায়না গোলাপ ১৩০-১৫০ টাকা, রজনীগন্ধা ১৫-২০ টাকা, জারবেরা ২৫-৩০ টাকা এবং চন্দ্রমল্লিকা ১০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, শেষ মুহূর্তে ব্যক্তিগত আয়োজন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে ফুলের ব্যবহার বাড়লে কিছুটা বিক্রি বাড়তে পারে। অন্যথায় বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস মিলিয়েও এ বছর বাজারে প্রত্যাশিত রঙ ফিরবে না।
চট্টগ্রাম ফুল ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. জসিম বলেন, শনিবার ভোরে যশোর, চকরিয়া ও হাটহাজারী থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার ফুল নগরে এসেছে। তবে নির্বাচনি পরিবেশে আগের দিন বিক্রি কম হয়েছে। নতুনভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বরণে ফুলের চাহিদা বাড়লে বাজার কিছুটা চাঙ্গা হতে পারে।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?