চট্টগ্রামে রান্নাঘরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৯

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে একটি বাসায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ অন্তত নয়জন দগ্ধ হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহর এইচ ব্লকের এসি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে হঠাৎ বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা দ্রুত দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। দগ্ধদের মধ্যে আটজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪) ও পাখি আক্তার (৩৫)। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন বলেন, ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার নয়, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লাইনের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে ঘরে জমে ছিল। স

চট্টগ্রামে রান্নাঘরে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৯

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে একটি বাসায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ অন্তত নয়জন দগ্ধ হয়েছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহর এইচ ব্লকের এসি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে হঠাৎ বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা দ্রুত দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যান।

পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

দগ্ধদের মধ্যে আটজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪) ও পাখি আক্তার (৩৫)।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন বলেন, ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার নয়, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লাইনের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে ঘরে জমে ছিল। সেই জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে।

চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান চিকিৎসক রফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, দগ্ধদের সবারই শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

আহতদের মধ্যে রানী ও পাখি নামে দুই নারী এবং সাখাওয়াত নামের এক পুরুষের শরীর শতভাগ পুড়ে গেছে। এছাড়া একজনের ৮০, একজনের ৪৫ এবং বাকিদের শরীর ২০-২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে বার্ন ইউনিট জানিয়েছে।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow