চট্টগ্রামের ২১টি স্লুইস গেট সচল হলে জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমবে

চট্টগ্রাম নগরের ২১টি স্লুইস গেট পুরোপুরি সচল হলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ২১টি স্লুইস গেটের অগ্রগতি এবং প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন কেউ ছেড়েছেন ঘর, কেউ পানিবন্দি সভায় জানানো হয়, ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করে প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে স্লুইস গেটগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। প্রকল্প পরিচালক জানান, বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে এসব স্লুইস গেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে নগরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ড

চট্টগ্রামের ২১টি স্লুইস গেট সচল হলে জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমবে

চট্টগ্রাম নগরের ২১টি স্লুইস গেট পুরোপুরি সচল হলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ২১টি স্লুইস গেটের অগ্রগতি এবং প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় জানানো হয়, ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করে প্রকল্পটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে স্লুইস গেটগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

প্রকল্প পরিচালক জানান, বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে এসব স্লুইস গেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে নগরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার শিগগির প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করবে। সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

এমআরএএইচ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow