চট্টগ্রামের ৫ জেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের পৌনে ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি
চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের পৌনে ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটিরও বেশি টাকা এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পুনরুদ্ধারে সরকার জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে ক্ষুরারোগের টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুত রয়েছে। যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের
চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের পৌনে ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটিরও বেশি টাকা এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পুনরুদ্ধারে সরকার জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৩২৭ মেট্রিক টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে ক্ষুরারোগের টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুত রয়েছে। যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বীজ সরবরাহ করা হবে। আর যাদের জমি এখনও প্রস্তুত হয়নি, তাদের জন্য সরকারি খালি জমিতে জরুরি ভিত্তিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেখান থেকে ধানের চারা সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, বন্যার কারণে খড় ও অন্যান্য পশুখাদ্য নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এসব গোখাদ্য বিতরণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
এ সময় বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত ছিলেন।
এমডিআইএইচ/কেএএ/
What's Your Reaction?