চট্টলা এক্সপ্রেসে আগুন : কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের গঠিত তদন্ত কমিটি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) থেকে কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু করেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বগি (পাওয়ার কার) থেকে পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে। এতে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুর্ঘটনার সময় ১৬টি বগির ওই ট্রেনে ৬০০-এর বেশি যাত্রী ছিলেন। আগুনে পাওয়ার কার ও একটি এসি কোচ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত বগি দুটি রেখে বাকি ১৪টি বগি নিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কোচ দুটি রে
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের গঠিত তদন্ত কমিটি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) থেকে কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু করেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বগি (পাওয়ার কার) থেকে পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে। এতে যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুর্ঘটনার সময় ১৬টি বগির ওই ট্রেনে ৬০০-এর বেশি যাত্রী ছিলেন। আগুনে পাওয়ার কার ও একটি এসি কোচ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত বগি দুটি রেখে বাকি ১৪টি বগি নিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কোচ দুটি রেলের মেরামত কারখানায় পাঠানো হয়েছে।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রেনটি স্টেশন ছাড়ার মাত্র ২০ মিনিট পর এবং মাত্র ১২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতেই অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়। ফলে ট্রেনটির যথাযথ ‘ফিটনেস চেক’ বা যান্ত্রিক পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে এই বিষয়টি বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা গেছে।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, তদন্ত কমিটি গতকাল থেকেই কাজ শুরু করেছে। আশা করছি নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যেই তারা প্রতিবেদন জমা দেবেন। প্রতিবেদন হাতে পেলেই আগুনের প্রকৃত কারণ এবং কারও অবহেলা ছিল কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তদন্ত কমিটির প্রধান ও বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আনিসুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পাওয়ার কার থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে কারিগরি ত্রুটি না কি অন্য কোনো কারণ, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।