চবি শিক্ষার্থীসহ ৮ জনকে মারধর, আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি

কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ফেরার পথে একটি বাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীসহ আট বন্ধুকে মারধর এবং এক লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসচালক, হেলপার ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগীরা। শনিবার (৪ জুলাই) কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কেফায়েত উল্লাহ তার সাত স্কুলবন্ধুসহ একটি বাসে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে বাসে লোকাল যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে চালক ও হেলপারের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে চালক ও হেলপার তাদের বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় মারধর করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে বিলম্ব এবং পথে লোকাল যাত্রী ওঠানো নিয়ে আবারও কথা-কাটাকাটির জেরে তাদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন ধরনে

চবি শিক্ষার্থীসহ ৮ জনকে মারধর, আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি

কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ফেরার পথে একটি বাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীসহ আট বন্ধুকে মারধর এবং এক লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসচালক, হেলপার ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার (৪ জুলাই) কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কেফায়েত উল্লাহ তার সাত স্কুলবন্ধুসহ একটি বাসে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে বাসে লোকাল যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে চালক ও হেলপারের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে চালক ও হেলপার তাদের বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকায় মারধর করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে বিলম্ব এবং পথে লোকাল যাত্রী ওঠানো নিয়ে আবারও কথা-কাটাকাটির জেরে তাদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের কাছে এক লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে।

ঘটনায় ভুক্তভোগী কেফায়েত উল্লাহ বলেন, আমাকে ও আমার বন্ধুদের মারধর এবং এক লাখ টাকা দাবি করার ঘটনার প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। বাসের চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমরা দ্রুত থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।

চান্দগাঁও থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, আমি বিষয়টি শোনার পর সেখানে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগীদের কোনো অভিযোগ থাকলে তারা লিখিতভাবে দিলে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow