চবিতে ইংরেজি গানে বাংলা নববর্ষ উদযাপন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্টে ইংরেজি গান পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে ‘নবধারায় বৈশাখ’ ব্যানারে এ আয়োজন করে চিটাগং ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড সোসাইটি (CUBS)। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নববর্ষের পরদিন আয়োজিত এ কনসার্টে দ্য জাঙ্কার্স, মুনচাইল্ড, কলরব- দ্য ব্যান্ড, এনকোর ও উন্মাদ এই পাঁচটি ব্যান্ড অংশ নেয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মুনচাইল্ড ও উন্মাদ ব্যান্ড তাদের পরিবেশনায় প্রায় ৩-৪টি ইংরেজি গান পরিবেশন করে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পরিবেশনার সময় ইংরেজি গান গাওয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। চিটাগং ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড সোসাইটির মিডিয়া ম্যানেজার এবং মুনচাইল্ড ব্যান্ডের গায়ক ফাইয়াজ নেহাল বলেন, ‘আনুমানিক ৩-৪টি ইংরেজি গান পরিবেশন করা হয়েছে। আমাদের ব্যান্ড সাধারণত এ ধরনের গানই করে থাকে। গত বছরও একই আয়োজনে ইংরেজি গান ছিল, তখন তেমন কোনো আপত্তি ওঠেনি। তবে যেহেতু এটি বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান, বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ভবিষ্যতে আরও সচেতন থাকব।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্টে ইংরেজি গান পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে ‘নবধারায় বৈশাখ’ ব্যানারে এ আয়োজন করে চিটাগং ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড সোসাইটি (CUBS)।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নববর্ষের পরদিন আয়োজিত এ কনসার্টে দ্য জাঙ্কার্স, মুনচাইল্ড, কলরব- দ্য ব্যান্ড, এনকোর ও উন্মাদ এই পাঁচটি ব্যান্ড অংশ নেয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মুনচাইল্ড ও উন্মাদ ব্যান্ড তাদের পরিবেশনায় প্রায় ৩-৪টি ইংরেজি গান পরিবেশন করে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পরিবেশনার সময় ইংরেজি গান গাওয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
চিটাগং ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড সোসাইটির মিডিয়া ম্যানেজার এবং মুনচাইল্ড ব্যান্ডের গায়ক ফাইয়াজ নেহাল বলেন, ‘আনুমানিক ৩-৪টি ইংরেজি গান পরিবেশন করা হয়েছে। আমাদের ব্যান্ড সাধারণত এ ধরনের গানই করে থাকে। গত বছরও একই আয়োজনে ইংরেজি গান ছিল, তখন তেমন কোনো আপত্তি ওঠেনি। তবে যেহেতু এটি বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান, বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ভবিষ্যতে আরও সচেতন থাকব।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন বলেন, ‘এই প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রশাসনের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। ব্যান্ড সোসাইটি অনুমতি নিয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে। যেহেতু এটি পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান, সেহেতু দেশীয় সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল। তারা কেন এমন করেছে, তা তারা ভালো বলতে পারবে। সম্ভবত দর্শকের চাহিদার কারণেও হতে পারে। তবে আমরা চাই, আমাদের সংস্কৃতি যেন কোনোভাবেই হারিয়ে না যায়।’
What's Your Reaction?