চবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার একক প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে আবারও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ’ ব্যানারে প্ল্যাকার্ড হাতে একটি কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘ছাত্রলীগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কর, করতে হবে’ এবং নিচে ‘প্রতিবাদে : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ’ উল্লেখ করা হয়। প্ল্যাকার্ডটি বহন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম কালবেলাকে বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে আমি একাই প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। আশেপাশে আরও নেতা-কর্মী ছিল। আমাদের দাবি, ছাত্রলীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আওয়ামী লীগের ওপর যে মব সন্ত্রাসবাদ চালানো হচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঝুঁকি নিয়েই এই কর্মসূচি করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন ছাত্রলীগের পক্ষে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে যাব।’ এ বিষয়ে চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম রনি বলেন, ‘চাকসুর অবস্থান সবসময় ফ্যাসিবাদের বি

চবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার একক প্রতিবাদ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে আবারও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ’ ব্যানারে প্ল্যাকার্ড হাতে একটি কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘ছাত্রলীগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কর, করতে হবে’ এবং নিচে ‘প্রতিবাদে : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ’ উল্লেখ করা হয়। প্ল্যাকার্ডটি বহন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম কালবেলাকে বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে আমি একাই প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। আশেপাশে আরও নেতা-কর্মী ছিল। আমাদের দাবি, ছাত্রলীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আওয়ামী লীগের ওপর যে মব সন্ত্রাসবাদ চালানো হচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঝুঁকি নিয়েই এই কর্মসূচি করেছি। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন ছাত্রলীগের পক্ষে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে যাব।’ এ বিষয়ে চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম রনি বলেন, ‘চাকসুর অবস্থান সবসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা আগে গুপ্তভাবে কার্যক্রম চালালেও এবার নাম-পরিচয় প্রকাশ করেছে। আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাব এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাপ প্রয়োগ করব।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘ঘটনাটি যেহেতু শহীদ মিনারে ঘটেছে, আমরা সিসি ক্যামেরা ফুটেজ যাচাই করে জড়িতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’ উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল, পোস্টার, ব্যানার এবং জাতীয় দিবসে ফুল অর্পণের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। সর্বশেষ, ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নং গেটে ছাত্রলীগের  সহ-সম্পাদক ওয়াহিদুল আলমের নেতৃত্বে মিছিল করে সংগঠনটি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow