চবিতে ১৫ ফুটের বার্মিজ অজগর উদ্ধার
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুই নম্বর গেট সংলগ্ন থেকে প্রায় ১৫ ফুট লম্বা একটি বার্মিজ অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সাপ ও সাপের দংশন বিষয়ে সচেতনতা বিষয়ক সংগঠন সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (3SA)-এর উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভীর বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়। সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইমন সাকিব অজগর দেখতে পেয়ে 3SA-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্য মোহাম্মদ ইমরান ও মোহাম্মদ মোবারক মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া অজগরটি বার্মিজ প্রজাতির। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ কেজি। খাবারের সংকট, পাহাড় কেটে প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংসসহ বিভিন্ন কারণে এ ধরনের সাপ লোকালয়ে চলে আসে বলে জানান তারা। 3SA-এর রেসকিউ টিমের সদস্য মোহাম্মদ ইমরান বলেন, ‘এটি বার্মিজ জাতের। প্রায় ১৫ ফুট লম্বা এবং ওজন ১৪ থেকে ১৫ কেজি। উদ্ধার করার পর আমরা এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভীর বনাঞ্চলে অবমুক্ত করেছি। খাবারের অভাব, পাহাড় কেটে ফেলা ও আবাসস্থল ধ্বংসসহ নানা কারণে এ ধরনের
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুই নম্বর গেট সংলগ্ন থেকে প্রায় ১৫ ফুট লম্বা একটি বার্মিজ অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সাপ ও সাপের দংশন বিষয়ে সচেতনতা বিষয়ক সংগঠন সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (3SA)-এর উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভীর বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইমন সাকিব অজগর দেখতে পেয়ে 3SA-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্য মোহাম্মদ ইমরান ও মোহাম্মদ মোবারক মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া অজগরটি বার্মিজ প্রজাতির। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ কেজি। খাবারের সংকট, পাহাড় কেটে প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংসসহ বিভিন্ন কারণে এ ধরনের সাপ লোকালয়ে চলে আসে বলে জানান তারা।
3SA-এর রেসকিউ টিমের সদস্য মোহাম্মদ ইমরান বলেন, ‘এটি বার্মিজ জাতের। প্রায় ১৫ ফুট লম্বা এবং ওজন ১৪ থেকে ১৫ কেজি। উদ্ধার করার পর আমরা এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভীর বনাঞ্চলে অবমুক্ত করেছি। খাবারের অভাব, পাহাড় কেটে ফেলা ও আবাসস্থল ধ্বংসসহ নানা কারণে এ ধরনের সাপ লোকালয়ে চলে আসে।’
What's Your Reaction?