চবির সিনেট সদস্য হলেন ৫ এমপি
জাতীয় সংসদের স্পিকারের মনোনয়নে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সিনেট সদস্য হিসেবে পাঁচজন সংসদ সদস্যকে মনোনীত করা হয়েছে।
গত ৫ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতিমা আজরিন তন্বী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে বিষয়টি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশ্যে আসে।
মনোনীত সংসদ সদস্যরা হলেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৬ আসনের গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের সাঈদ আল নোমান।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, ‘সিনেটের শূন্য পদগুলো পূরণ হওয়ায় আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। তবে স্পিকার কর্তৃক মনোনীত পাঁচজনই একই রাজনৈতিক দলের হওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি আমিও দেখেছি। তবে এখনো পর্যন্ত আমার দপ্তরে এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক (অফিসিয়াল) নোটিশ পৌঁছায়নি। হয়তো প্রক্রিয়াগত বা অন্য কোনো কারণে এটি এখনো আমাদের দপ্তরে আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ব
জাতীয় সংসদের স্পিকারের মনোনয়নে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সিনেট সদস্য হিসেবে পাঁচজন সংসদ সদস্যকে মনোনীত করা হয়েছে।
গত ৫ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতিমা আজরিন তন্বী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে বিষয়টি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশ্যে আসে।
মনোনীত সংসদ সদস্যরা হলেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৬ আসনের গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনের সাঈদ আল নোমান।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, ‘সিনেটের শূন্য পদগুলো পূরণ হওয়ায় আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। তবে স্পিকার কর্তৃক মনোনীত পাঁচজনই একই রাজনৈতিক দলের হওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি আমিও দেখেছি। তবে এখনো পর্যন্ত আমার দপ্তরে এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক (অফিসিয়াল) নোটিশ পৌঁছায়নি। হয়তো প্রক্রিয়াগত বা অন্য কোনো কারণে এটি এখনো আমাদের দপ্তরে আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিন্তাভাবনা করেছেন। তিনি দেশের বাইরে থেকে ফিরলেই পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট হলো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ। এ পর্ষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক প্রশাসন, অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম, আর্থিক বিষয়, বাজেট অনুমোদন, বিধি প্রণয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা পালন করে।