চলে গেলেন কিংবদন্তি গোলরক্ষক রঞ্জিত দাস

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক এবং কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ রঞ্জিত দাস আর নেই। সোমবার ভোরে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তার মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রঞ্জিত দাস আজাদ স্পোর্টিংয়ের হয়ে ঢাকার মাঠ কাঁপিয়েছেন। এ ক্লাবে তিনি ক্যারিয়ারের সোনালী সময় কাটিয়েছেন। ১৯৫৮ সালে তার অসাধারণ অধিনায়কত্বে আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। ১৯৫৫ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিতভাবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান দলের গোলবার সামলেছেন। তার অসামান্য রিফ্লেক্স এবং সাহসিকতা তাকে সমসাময়িক সেরা গোলরক্ষকদের কাতারে নিয়ে গিয়েছিল। তিনি কেবল ফুটবলারই ছিলেন না, একজন উঁচু মানের হকি খেলোয়াড়ও ছিলেন। ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের হয়ে তিনি হকি লিগে অংশ নিতেন। এছাড়া ক্রিকেটেও তার বিশেষ পদচারণা ছিল। অবসরের পর তিনি সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন ফুটবলার তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। দেশের অনেক নামী ফুটবলার তার হাত ধরেই উঠে এসেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়

চলে গেলেন কিংবদন্তি গোলরক্ষক রঞ্জিত দাস

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক এবং কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ রঞ্জিত দাস আর নেই। সোমবার ভোরে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তার মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রঞ্জিত দাস আজাদ স্পোর্টিংয়ের হয়ে ঢাকার মাঠ কাঁপিয়েছেন। এ ক্লাবে তিনি ক্যারিয়ারের সোনালী সময় কাটিয়েছেন। ১৯৫৮ সালে তার অসাধারণ অধিনায়কত্বে আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল।

১৯৫৫ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিতভাবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান দলের গোলবার সামলেছেন। তার অসামান্য রিফ্লেক্স এবং সাহসিকতা তাকে সমসাময়িক সেরা গোলরক্ষকদের কাতারে নিয়ে গিয়েছিল। তিনি কেবল ফুটবলারই ছিলেন না, একজন উঁচু মানের হকি খেলোয়াড়ও ছিলেন। ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের হয়ে তিনি হকি লিগে অংশ নিতেন। এছাড়া ক্রিকেটেও তার বিশেষ পদচারণা ছিল।

অবসরের পর তিনি সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন ফুটবলার তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। দেশের অনেক নামী ফুটবলার তার হাত ধরেই উঠে এসেছেন।

বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিলেট শহরের একটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক সতীর্থ এবং তাঁর অগণিত গুণগ্রাহী। সিলেটের ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা তাঁকে “মাঠের অতন্দ্র প্রহরী” হিসেবে অভিহিত করেছেন।

রঞ্জিত দাসের এই চলে যাওয়া একটি যুগের অবসান ঘটালেও, ১৯৫৮ সালের সেই ঐতিহাসিক জয় এবং তাঁর অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ১৯৫৫ সালে ইস্পাহানি ক্লাব দিয়ে ঢাকার শীর্ষ ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল রণজিৎ দাসের। এরপর খেলেছেন আজাদ স্পোর্টিং ও মোহামেডানে। আজাদ স্পোর্টিং ঢাকা লিগে একবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেবার দলের অধিনায়ক ছিলেন রণজিৎ দাস। মোহামেডানের হয়ে একই বছর জিতেছিল লিগ ও আগাখান গোল্ডকাপ। পূর্ব পাকিস্তান ফুটবল ও হকি দলের গোলকিপার হিসেবেও আলো কাড়েন।

আরআই/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow