চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে রোজা শুরু বুধবার

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে রোজা শুরু হবে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঐতিহাসিক সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা পীর ড. বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী। মতলব উত্তর উপজেলার সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরিফেও তারাবির নামাজের প্রস্তুতি চলছে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বর্তমান পীর ইমামুল আরেফিন ড. মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা বুধবার রোজা পালন শুরু করবেন। সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, ‌‘প্রথমে আমরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে চাঁদ দেখার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সৌদি আরব

চাঁদপুরে অর্ধশত গ্রামে রোজা শুরু বুধবার

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে রোজা শুরু হবে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঐতিহাসিক সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা পীর ড. বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী।

মতলব উত্তর উপজেলার সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরিফেও তারাবির নামাজের প্রস্তুতি চলছে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বর্তমান পীর ইমামুল আরেফিন ড. মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান।

হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা বুধবার রোজা পালন শুরু করবেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, ‌‘প্রথমে আমরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে চাঁদ দেখার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। সৌদি আরবের আকাশে চাঁদ দেখা যাওয়ায় সাজ্জাদ দরবার শরিফে তারাবি ও রোজা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।’

আগাম রোজা ও দুই ঈদ পালনের প্রবর্তক মাওলানা ইসহাক (রহ.)। ১৯৩২ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের পীর সৌদি আরব কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন।

শরীফুল ইসলাম/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow