চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ আজ
সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করা হচ্ছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ইমামতি করবেন পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলীপুর, ভোলাচোঁ, ঝাকনি, সোনাচোঁ, প্রতাপপুর ও সুরঙ্গচাইলসহ বিভিন্ন গ্রাম, পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তর উপজেলার কয়েকটি গ্রামেও একইভাবে ঈদ উদ্যাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক (রা.) আগাম রোজা রাখা ও আরব বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্যাপনের প্রথা চালু করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা ও ঈদ পালন করেন। অন্যদিকে, স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, আফগানিস্তানে চাঁদ দেখা যাওয়ার পর সেখানে ঈদ উদ্যাপিত হওয়ায় সেই হিসেবেও অনেকে আজ ঈদ পালন
সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করা হচ্ছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ইমামতি করবেন পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলীপুর, ভোলাচোঁ, ঝাকনি, সোনাচোঁ, প্রতাপপুর ও সুরঙ্গচাইলসহ বিভিন্ন গ্রাম, পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তর উপজেলার কয়েকটি গ্রামেও একইভাবে ঈদ উদ্যাপন করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক (রা.) আগাম রোজা রাখা ও আরব বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্যাপনের প্রথা চালু করেন। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা ও ঈদ পালন করেন।
অন্যদিকে, স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, আফগানিস্তানে চাঁদ দেখা যাওয়ার পর সেখানে ঈদ উদ্যাপিত হওয়ায় সেই হিসেবেও অনেকে আজ ঈদ পালন করছেন। এই ভিন্নধর্মী প্রথার কারণে চাঁদপুরের এসব এলাকায় দেশের অন্যান্য স্থানের আগেই ঈদের আনন্দ শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা মির্জাখিল দরবার শরীফের অনুসারী হিসেবে প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন।
সাদ্রা দরবার শরীফের পীর মোহাম্মদ আরিফ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদ ও রোজা পালন করে আসছেন এবং বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই প্রথা ছড়িয়ে পড়েছে।
What's Your Reaction?