চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটালেন আ.লীগ নেতা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়ার ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোনা মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে আহতদের সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন দেখা গেছে। এ সময় হামলায় আহতরা ক্ষত যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন।       স্থানীয়রা জানায়, মাছ চাষের জন্য শহিদুল ইসলাম সোনা নিজস্ব পুকুর খনন করছেন। ওই মাটিগুলো সরকারি কাজে সড়ক নির্মাণের জন্য সরবরাহ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ জুন) সকালে সোনা মিয়ার পুকুরের উত্তোলন করা মাটি ট্রাক্টরযোগে নির্মাণাধীন সড়কে বহন করছিলেন। এ সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও পূর্ব দামোদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল খালেক, নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া এবং কফিল উদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে সোনা মিয়ার কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আব্দুল খালেক তার দলবল নিয়ে অতর্কিত হামলা করেন। এ সময় হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে ও বেধড়ক মারধরে সোনা মিয়ার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়। এতে আরও একাধিক ব্যক্তি আহত হন। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাস

চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে বেধড়ক পেটালেন আ.লীগ নেতা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়ার ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোনা মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে আহতদের সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন দেখা গেছে। এ সময় হামলায় আহতরা ক্ষত যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন।      

স্থানীয়রা জানায়, মাছ চাষের জন্য শহিদুল ইসলাম সোনা নিজস্ব পুকুর খনন করছেন। ওই মাটিগুলো সরকারি কাজে সড়ক নির্মাণের জন্য সরবরাহ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ জুন) সকালে সোনা মিয়ার পুকুরের উত্তোলন করা মাটি ট্রাক্টরযোগে নির্মাণাধীন সড়কে বহন করছিলেন। এ সময় দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও পূর্ব দামোদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল খালেক, নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া এবং কফিল উদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলামসহ আরও অনেকে সোনা মিয়ার কাছে চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আব্দুল খালেক তার দলবল নিয়ে অতর্কিত হামলা করেন। এ সময় হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে ও বেধড়ক মারধরে সোনা মিয়ার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়। এতে আরও একাধিক ব্যক্তি আহত হন। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়া বলেন, আমার পুকুর খননের মাটি নির্মাণাধীন সড়কে বহন করায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেকসহ আরও অনেকে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা দিতে অপারগতা জানালে তখন আব্দুল খালেক গংরা আমার ওপর হামলা করে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow