চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা

সিরাজগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলায় মো. সোহেল (৩৫) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় যুবলীগে নেতা সাবেক কাউন্সিলরসহ ১১ জননের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।  রোববার (০৩ মে) মোছা. নুপুর খাতুন নামে এক গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। গ্রেপ্তার মো. সোহেল সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার দত্তবাড়ি মহল্লার হারুনর রশিদ ওরফে হারানের ছেলে।  মামলার প্রধান আসামি সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. হোসেন একই মহল্লার কুদ্দুস বয়াতির ছেলে।  মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদীর স্বামী শাহজাহান আলী কোবদাসপাড়া আক্কার মোড় এলাকার মনোহারী ব্যবসায়ী। গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার ব্যবসায়িক পার্টনার নাজমুল ইসলাম ব্যাবসা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য বাসায় আসেন। এ সময় শাহজাহান আলী বাড়িতে না থাকায় তার মা সুফিয়া খাতুনের সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন তিনি।  তখন যুবলীগ নেতা হোসেন ও ছাত্রদল নেতা সোহেলসহ অন্যান্য আসামিরা বাড়িতে ঢুকে নাজমুল-বাদীনী নূপুরকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদ রটায়। পরিবারের সবাই বদনাম রটাতে নিষেধ করলে তারা হুমকি দিয়ে নাজমুলকে তুলে নিয়ে যায়। 

চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা
সিরাজগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলায় মো. সোহেল (৩৫) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় যুবলীগে নেতা সাবেক কাউন্সিলরসহ ১১ জননের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।  রোববার (০৩ মে) মোছা. নুপুর খাতুন নামে এক গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। গ্রেপ্তার মো. সোহেল সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার দত্তবাড়ি মহল্লার হারুনর রশিদ ওরফে হারানের ছেলে।  মামলার প্রধান আসামি সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. হোসেন একই মহল্লার কুদ্দুস বয়াতির ছেলে।  মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদীর স্বামী শাহজাহান আলী কোবদাসপাড়া আক্কার মোড় এলাকার মনোহারী ব্যবসায়ী। গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার ব্যবসায়িক পার্টনার নাজমুল ইসলাম ব্যাবসা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য বাসায় আসেন। এ সময় শাহজাহান আলী বাড়িতে না থাকায় তার মা সুফিয়া খাতুনের সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন তিনি।  তখন যুবলীগ নেতা হোসেন ও ছাত্রদল নেতা সোহেলসহ অন্যান্য আসামিরা বাড়িতে ঢুকে নাজমুল-বাদীনী নূপুরকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদ রটায়। পরিবারের সবাই বদনাম রটাতে নিষেধ করলে তারা হুমকি দিয়ে নাজমুলকে তুলে নিয়ে যায়।  এরপর একটি বাড়িতে আটকে রেখে নাজমুলকে মারপিট করা হয়। একপর্যায়ে আসামিরা নাজমুলের কাছে ৭০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। জীবন রক্ষার্থে ৫ দিনের মধ্যে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করে নাজমুলকে উদ্ধার করা হয়।  এরপর থেকেই আসামিরা চাঁদার টাকার জন্য মোবাইল ফোনে হুমকি দিতে থাকে। শনিবার (২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসামিরা বাদীর বসতবাড়ির সামনে এসে চাঁদার টাকা দাবি করে। ওই টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা মারমুখী আচরণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু বক্কার মাতুব্বর জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। মো. সোহেল নামে একজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  এ প্রসঙ্গে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজ বলেন, যুবলীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো নেতা জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow