চাকরি ছেড়ে চালের ব্যবসা, বছরে আয় ২৫ লাখ

নাম করা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি হয়েছিল যুবকের। কিন্তু অন্যের অধীনে কাজ করার চেয়ে তিনি চেয়েছিলেন নিজেই কিছু করতে। আর সেই ইচ্ছা থেকেই নিয়ে বসলেন বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত। চাকরি ছেড়ে শুরু করলেন চালের ব্যবসা। শুরুতে অনেকে তাকে বোকা ভাবলেও আজ তার সাফল্য ঈর্ষণীয়। এই ব্যবসা থেকে এখন তার আয় দাঁড়িয়েছে বছরে ২৫ লাখ রুপি। গল্পটা ভারতের এক তরুণ উদ্যোক্তার। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ঘটনা শেয়ার করেছেন তরুণের বন্ধু অঙ্কিত পাণ্ডে। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্ট। আরও পড়ুন ‘সবাই বলেছিল পাগলামি’ / সরকারি চাকরি ছেড়ে অস্ট্রেলিয়া পাড়ি, কয়েক বছরেই ভাগ্যবদল! জানা যায়, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) থেকে চাকরির প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেন ওই যুবক। পরিবর্তে চালের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এই পথ থেকেই এখন বছরে প্রায় ২৫ লাখ রুপি আয় হয় তার। অঙ্কিত পাণ্ডে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জানান, তার বন্ধু টিসিএসের ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। অনেকেই মনে করেছিল, চাকরি ছেড়ে দেওয়া তার বড় ভুল ছিল। তবে তিনি বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি চাল

চাকরি ছেড়ে চালের ব্যবসা, বছরে আয় ২৫ লাখ

নাম করা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি হয়েছিল যুবকের। কিন্তু অন্যের অধীনে কাজ করার চেয়ে তিনি চেয়েছিলেন নিজেই কিছু করতে। আর সেই ইচ্ছা থেকেই নিয়ে বসলেন বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত। চাকরি ছেড়ে শুরু করলেন চালের ব্যবসা। শুরুতে অনেকে তাকে বোকা ভাবলেও আজ তার সাফল্য ঈর্ষণীয়। এই ব্যবসা থেকে এখন তার আয় দাঁড়িয়েছে বছরে ২৫ লাখ রুপি।

গল্পটা ভারতের এক তরুণ উদ্যোক্তার। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ঘটনা শেয়ার করেছেন তরুণের বন্ধু অঙ্কিত পাণ্ডে। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্ট।

জানা যায়, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) থেকে চাকরির প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেন ওই যুবক। পরিবর্তে চালের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এই পথ থেকেই এখন বছরে প্রায় ২৫ লাখ রুপি আয় হয় তার।

অঙ্কিত পাণ্ডে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জানান, তার বন্ধু টিসিএসের ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। অনেকেই মনে করেছিল, চাকরি ছেড়ে দেওয়া তার বড় ভুল ছিল। তবে তিনি বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি চাল সংগ্রহ করে ব্যবসাটি দাঁড় করান।

ওই যুবক সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে চাল কিনে, তা পরিষ্কার করে নিজের ব্র্যান্ডে প্যাকেটজাত করে প্রায় ২০০ খুচরা দোকানে সরবরাহ করে থাকেন।

অঙ্কিত জানান, কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৩৫ রুপি দরে চাল কেনা হয়। এর সঙ্গে প্রতি কেজিতে তিন রুপি প্যাকেজিং খরচ এবং আরও দুই রুপি পরিবহন খরচ যোগ হয়, ফলে মোট খরচ দাঁড়ায় প্রতি কেজিতে ৪০ রুপি।

এরপর প্যাকেট করা চাল খুচরা বিক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজি ৫০ রুপি দরে বিক্রি করা হয়। খুচরা বিক্রেতারা এটি গ্রাহকদের কাছে প্রতি কেজি প্রায় ৫৫-৫৭ রুপিতে বিক্রি করেন, ফলে বিক্রি হওয়া প্রতি কেজি চালে তাদের ১০ রুপি লাভ হয়।

অঙ্কিত আরও জানান, ব্যবসাটি এখন তার খুচরা অংশীদারদের কাছে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কুইন্টাল বা ২০ হাজার কেজি চাল সরবরাহ করে। এ পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে, তার ধারণা সেই বন্ধু বছরে প্রায় ২৫ লাখ রুপি আয় করেন।

যদিও পোস্টটিতে শেয়ার করা আর্থিক পরিসংখ্যান এবং ব্যবসার বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি, তবুও এটি নেট দুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই অনেক ধরনের মন্তব্য করেছেন।

একজন বলেন, ‘ভাই, জীবন খুব সাধারণ নিয়মে চলে। ঝুঁকি যত বড়, লাভও তত বড়।’

আরেকজনের মন্তব্য, ‘ডিগ্রি থাক বা না থাক, ঝুঁকি নেওয়া এবং জীবনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই সব কিছু। যারা সাহস করে তারাই তা অর্জন করতে পারে।’

সূত্র: এনডিটিভি
আরএইচ/কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow