চাকরির সাক্ষাৎকারের কথা বলে অপহরণের অভিযোগ

রাজধানীতে চাকরির সাক্ষাৎকারের কথা বলে ডেকে নিয়ে এক গ্রাফিক ডিজাইনারকে মারধর, অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে এক নাট্য প্রযোজকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা নিয়ে এরই মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী গ্রাফিক ডিজাইনার মো. রিজন মিয়া। তার পক্ষে আইনজীবী ইসফাকুর রহমান গালিব জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ডিবি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে নাট্য প্রযোজক মো. রফিকুর রহমান খানকে, যিনি ‘বিগ সিটি ড্রামা’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিজন মিয়াকে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেন অভিযুক্ত প্রযোজক। এরপর গত ৩০ এপ্রিল রাতে সাক্ষাৎকারের কথা বলে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ভয়

চাকরির সাক্ষাৎকারের কথা বলে অপহরণের অভিযোগ

রাজধানীতে চাকরির সাক্ষাৎকারের কথা বলে ডেকে নিয়ে এক গ্রাফিক ডিজাইনারকে মারধর, অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে এক নাট্য প্রযোজকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা নিয়ে এরই মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী গ্রাফিক ডিজাইনার মো. রিজন মিয়া। তার পক্ষে আইনজীবী ইসফাকুর রহমান গালিব জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ডিবি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে নাট্য প্রযোজক মো. রফিকুর রহমান খানকে, যিনি ‘বিগ সিটি ড্রামা’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিজন মিয়াকে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেন অভিযুক্ত প্রযোজক। এরপর গত ৩০ এপ্রিল রাতে সাক্ষাৎকারের কথা বলে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়।

সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং ব্যাংকের কয়েকটি খালি চেকেও জোরপূর্বক সই করানো হয়।

ঘটনার পর ভাটারা থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরে ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগী।

এমডিএএ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow