চার সেচপাম্পে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, শত বিঘা জমির বোরো আবাদে অনিশ্চয়তা

গাইবান্ধার সদুল্লাপুরে কোনো কারণ ছাড়াই চারটি সেচপাম্পের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মহিষবান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই এলাকার প্রায় অর্ধশত কৃষকের শতাধিক বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। চলতি মৌসুমের শুরুতে এই অনাঙ্খিত ঘটনায় চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন কৃষকরা। সরেজমিনে, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মহিষবান্দি গ্রামীণ মাঠে দেখা গেছে, চলতি বোরো চাষিরা আহাজারি করছেন। সেচপাম্পের সংযোগ বিচ্ছিন্নর ঘটনায় হতাশায় দিন কাটছে কৃষকদের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সাদুল্লাপুর জোনাল অফিসের ট্যারিফ ক্যাটাগরি- এলটি-বি এর মহিষবান্দি এলাকার নিয়মিত গ্রাহক আবু তাহের আকন্দ, লিয়াকত আকন্দ, আইয়ুব আলী ও আজিম উদ্দিন বৈদ্যুতিক সংযোগ নিয়ে প্রায় দুইযুগ ধরে সাধারণ কৃষকদের জমিতে সেচ দিয়ে বোরো ফসল উৎপাদন করে আসছেন। প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও কৃষকরা বোরো চাষাবাদ শুরু করেন। কেউ চারা রোপণ করেছেন, কেউ বা আবার রোপণের প্রস্তুতি নিয়েছেন। এরই মধ্যে সাদুল্লাপুর জোনাল অফিসের দায়িত্বশীলরা ওইসব গ্রাহকদের কোনো কিছু না জানিয়ে একযোগে চারট

চার সেচপাম্পে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, শত বিঘা জমির বোরো আবাদে অনিশ্চয়তা

গাইবান্ধার সদুল্লাপুরে কোনো কারণ ছাড়াই চারটি সেচপাম্পের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মহিষবান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই এলাকার প্রায় অর্ধশত কৃষকের শতাধিক বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। চলতি মৌসুমের শুরুতে এই অনাঙ্খিত ঘটনায় চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মহিষবান্দি গ্রামীণ মাঠে দেখা গেছে, চলতি বোরো চাষিরা আহাজারি করছেন। সেচপাম্পের সংযোগ বিচ্ছিন্নর ঘটনায় হতাশায় দিন কাটছে কৃষকদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সাদুল্লাপুর জোনাল অফিসের ট্যারিফ ক্যাটাগরি- এলটি-বি এর মহিষবান্দি এলাকার নিয়মিত গ্রাহক আবু তাহের আকন্দ, লিয়াকত আকন্দ, আইয়ুব আলী ও আজিম উদ্দিন বৈদ্যুতিক সংযোগ নিয়ে প্রায় দুইযুগ ধরে সাধারণ কৃষকদের জমিতে সেচ দিয়ে বোরো ফসল উৎপাদন করে আসছেন। প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও কৃষকরা বোরো চাষাবাদ শুরু করেন। কেউ চারা রোপণ করেছেন, কেউ বা আবার রোপণের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

চার সেচপাম্পে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, শত বিঘা জমির বোরো আবাদে অনিশ্চয়তা

এরই মধ্যে সাদুল্লাপুর জোনাল অফিসের দায়িত্বশীলরা ওইসব গ্রাহকদের কোনো কিছু না জানিয়ে একযোগে চারটি সেচপাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এতে শতাধিক বিঘার বোরো ধান আবাদে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

কৃষক আয়নাল আকন্দ বলেন, প্রাথমিকভাবে পানি নিয়ে কেবলমাত্র চারা রোপণ করেছি। এরই মধ্যে হঠাৎ করে গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন মোটরের লাইন কেটে দিয়েছে। এখন কীভাবে আবাদ করবো এই চিন্তায় আছি।

আরেক কৃষক বাবলু মিয়া বলেন, সম্প্রতি চারা রোপণের প্রস্তুতি নিয়েছি। এখন পানির অভাবে জমি ভিজিয়ে কাদা করতে না পারায় চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

চার সেচপাম্পে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, শত বিঘা জমির বোরো আবাদে অনিশ্চয়তা

ভুক্তভোগী গ্রাহক (সেচপাম্প মালিক) আবু তাহের আকন্দ, লিয়াকত আকন্দ, আইয়ুব আলী ও আজিম উদ্দিনের দাবি, আমাদের কোনো নোটিশ না দিয়ে কিংবা পূর্ব অবগত না করে সেচ পাম্পগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এখন কৃষকদের জমিতে সেচ দিতে পারছি না। এ কারণে কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সাদুল্লাপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) নুরুল ছামছুল হুদার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

আনোয়ার আল শামীম/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow