চার স্ত্রীর পর অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক, হাতেনাতে আটক করল জনতা
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার রাত প্রায় ১১টার উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়া এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয় এলাকাবাসীর দাবি, জহিরুল ইসলামের আগে চারটি বিয়ে রয়েছে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে গইজপাড়া এলাকায় জহিরুল ইসলামকে এক নারীর ঘর থেকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে জহিরুল ইসলাম ও ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ বলছে, মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় এ ঘটনায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, জহিরুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা চললেও জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি করেছেন, তিনি দলের কোনো সদস
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার রাত প্রায় ১১টার উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়া এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয় এলাকাবাসীর দাবি, জহিরুল ইসলামের আগে চারটি বিয়ে রয়েছে এবং তিনি স্থানীয়ভাবে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে গইজপাড়া এলাকায় জহিরুল ইসলামকে এক নারীর ঘর থেকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দড়ি দিয়ে বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজিত জনতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে জহিরুল ইসলাম ও ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশ বলছে, মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় এ ঘটনায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, জহিরুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা চললেও জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি করেছেন, তিনি দলের কোনো সদস্য নন। তাদের ভাষ্য, জহিরুল ইসলাম কেবল দলটির সমর্থক ছিলেন, সাংগঠনিকভাবে তার কোনো পদ বা সদস্যপদ নেই।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছার রহমান বলেন, নারী ও পুরুষ দুজনকেই উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তারা থানায় রয়েছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?