চিনি ছাড়া কফি কি স্বাস্থ্যকর, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ
সকাল শুরু হোক বা কাজের ফাঁকে একটু বিরতি, অনেকের কাছেই কফির কাপ যেন অপরিহার্য। তবে সেই কফিতে চিনি না থাকলে উপকার আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনি ছাড়া বা ব্ল্যাক কফি শুধু স্বাদের অভ্যাস নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্য একটি ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে শরীর ও মস্তিষ্ক দুটোরই উপকার হয়। কিন্তু কফির সঙ্গে চিনি বা ক্রিম যোগ হলে ক্যালোরি বাড়ে এবং উপকারের বদলে ক্ষতির ঝুঁকিও তৈরি হয়। সে কারণেই এখন অনেকেই চিনি ছাড়া কফির দিকে ঝুঁকছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, চিনি ছাড়া কফি পান করলে শরীরে কী কী প্রভাব পড়ে। মেটাবলিজম বাড়াতে সহায়ক : চিনি ছাড়া কফিতে থাকা ক্যাফেইন শরীরের মেটাবলিজম সক্রিয় করে। এতে শরীর বেশি ক্যালোরি পোড়াতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ব্ল্যাক কফি সহায়ক হতে পারে। মনোযোগ ও সতর্কতা বাড়ায় : ক্যাফেইন মস্তিষ্কের ঘুমঘুম ভাব কমায়। ফলে মনোযোগ বাড়ে, কাজে একাগ্রতা আসে এবং চিন্তাশক্তি উন্নত হয়। পড়াশোনা বা অফিসের কাজে এটি বেশ কাজে দেয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস : কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে কাজ করে। চিনি ছাড়া কফিতে এসব উপকারী উপাদান আ
সকাল শুরু হোক বা কাজের ফাঁকে একটু বিরতি, অনেকের কাছেই কফির কাপ যেন অপরিহার্য। তবে সেই কফিতে চিনি না থাকলে উপকার আরও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনি ছাড়া বা ব্ল্যাক কফি শুধু স্বাদের অভ্যাস নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্য একটি ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে।
পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে শরীর ও মস্তিষ্ক দুটোরই উপকার হয়। কিন্তু কফির সঙ্গে চিনি বা ক্রিম যোগ হলে ক্যালোরি বাড়ে এবং উপকারের বদলে ক্ষতির ঝুঁকিও তৈরি হয়। সে কারণেই এখন অনেকেই চিনি ছাড়া কফির দিকে ঝুঁকছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, চিনি ছাড়া কফি পান করলে শরীরে কী কী প্রভাব পড়ে।
মেটাবলিজম বাড়াতে সহায়ক : চিনি ছাড়া কফিতে থাকা ক্যাফেইন শরীরের মেটাবলিজম সক্রিয় করে। এতে শরীর বেশি ক্যালোরি পোড়াতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ব্ল্যাক কফি সহায়ক হতে পারে।
মনোযোগ ও সতর্কতা বাড়ায় : ক্যাফেইন মস্তিষ্কের ঘুমঘুম ভাব কমায়। ফলে মনোযোগ বাড়ে, কাজে একাগ্রতা আসে এবং চিন্তাশক্তি উন্নত হয়। পড়াশোনা বা অফিসের কাজে এটি বেশ কাজে দেয়।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস : কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে কাজ করে। চিনি ছাড়া কফিতে এসব উপকারী উপাদান আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে।
শারীরিক শক্তি বাড়ায় : ব্যায়ামের আগে চিনি ছাড়া কফি পান করলে শরীর বেশি শক্তি পায়। এতে সহনশীলতা বাড়ে এবং ব্যায়াম করা সহজ হয়, তাও আবার বাড়তি ক্যালোরি ছাড়াই।
টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে : গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চিনি ছাড়া কফি পান করলে শরীরের ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নত হয়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে।
হার্টের জন্য উপকারী : পরিমিত ব্ল্যাক কফি হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো হতে পারে। এটি প্রদাহ কমায় এবং রক্তনালির কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
লিভার সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে : চিনি ছাড়া কফি লিভারের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। ফ্যাটি লিভারসহ কিছু লিভার সমস্যার ঝুঁকি কমাতে এটি সহায়তা করতে পারে।
দীর্ঘায়ুতে সহায়ক হতে পারে : বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত চিনি ছাড়া কফি পান করেন, তাদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলক কম হতে পারে।
চিনি ছাড়া কফি অভ্যাসে আনলে শরীরের নানা উপকার পাওয়া সম্ভব। তবে অতিরিক্ত কফি পান করলে অনিদ্রা, অস্থিরতা বা রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিজের শরীরের কথা মাথায় রেখে পরিমিত পরিমাণে কফি পান করাই সবচেয়ে ভালো। কোনো জটিল শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সূত্র: এনডিটিভি
What's Your Reaction?