চিলমারীতে বসন্তের রঙ, শিমুলতলায় দর্শনার্থীর ভিড়

ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান— রবীন্দ্রনাথের সেই গানের সুর যেন আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে চিলমারীতে। তবে এ কোনো দাবদাহ নয়, বরং প্রকৃতির এক মায়াবী আগুন।  চিলমারীর লোকালয় আর রাস্তার ধারের শিমুল গাছগুলো এখন যেন একেকটি রক্তিম প্রদীপ, যা জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের সরব উপস্থিতি। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বালাবাড়ি মালেক মোড় থেকে সাদুল্লা যাওয়ার সড়কে সারি সারি এমন শিমুল গাছ নজর কেড়েছে দর্শনার্থীদের।  ​শিমুলের এই রাজকীয় সাজ দেখতে এখন চিলমারীর জনপদে মানুষের ঢল। মেঠোপথ ধরে হাঁটলে মনে হয় যেন কেউ লালগালিচা বিছিয়ে রেখেছে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ভুলে একটু প্রশান্তির খোঁজে ঘরোয়া পর্যটকরা ভিড় করছেন এখানে। কারও হাতে ক্যামেরা, কারও চোখে মুগ্ধতা, সবাই ব্যস্ত ফাগুনের এই মুহূর্তটিকে ফ্রেমবন্দি করতে। ​এক সময় শিমুল গাছ কেবল তুলা সংগ্রহের উৎস ছিল, কিন্তু এখন তা বিনোদনের নতুন এক অনুষঙ্গ। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছর বসন্তের এই কয়েকটা দিন চিলমারীর মেঠো পথগুলো উৎসবের আমেজ পায়। যদিও আগের তুলনায় বড় বড় শিমুল গাছের সংখ্যা কমছে, তবুও যেটুকু টিকে আছে তা রক্ষায় সচেতনতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। দর্শনার্থ

চিলমারীতে বসন্তের রঙ, শিমুলতলায় দর্শনার্থীর ভিড়

ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান— রবীন্দ্রনাথের সেই গানের সুর যেন আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে চিলমারীতে। তবে এ কোনো দাবদাহ নয়, বরং প্রকৃতির এক মায়াবী আগুন। 

চিলমারীর লোকালয় আর রাস্তার ধারের শিমুল গাছগুলো এখন যেন একেকটি রক্তিম প্রদীপ, যা জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের সরব উপস্থিতি। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বালাবাড়ি মালেক মোড় থেকে সাদুল্লা যাওয়ার সড়কে সারি সারি এমন শিমুল গাছ নজর কেড়েছে দর্শনার্থীদের। 

​শিমুলের এই রাজকীয় সাজ দেখতে এখন চিলমারীর জনপদে মানুষের ঢল। মেঠোপথ ধরে হাঁটলে মনে হয় যেন কেউ লালগালিচা বিছিয়ে রেখেছে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ভুলে একটু প্রশান্তির খোঁজে ঘরোয়া পর্যটকরা ভিড় করছেন এখানে। কারও হাতে ক্যামেরা, কারও চোখে মুগ্ধতা, সবাই ব্যস্ত ফাগুনের এই মুহূর্তটিকে ফ্রেমবন্দি করতে।

​এক সময় শিমুল গাছ কেবল তুলা সংগ্রহের উৎস ছিল, কিন্তু এখন তা বিনোদনের নতুন এক অনুষঙ্গ। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছর বসন্তের এই কয়েকটা দিন চিলমারীর মেঠো পথগুলো উৎসবের আমেজ পায়। যদিও আগের তুলনায় বড় বড় শিমুল গাছের সংখ্যা কমছে, তবুও যেটুকু টিকে আছে তা রক্ষায় সচেতনতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।

দর্শনার্থী শান্ত, সৌমিক, রিফাতসহ অনেকেই জানান, ফেসবুকে ছবি দেখে আর ঘরে থাকতে পারলাম না। চিলমারীর এই শিমুল গাছগুলো এত বড় আর এত বেশি ফুল ফুটেছে যে, সত্যি মনে হচ্ছে গাছে আগুন লেগেছে। চারপাশটা যেন লাল রঙে সেজেছে, যা দেখে মনটা জুড়িয়ে যায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow