চীন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কারণ কী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে তিনি রওনা হন। সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। খবর আলজাজিরা ও সিএনএনের।  রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প জানান, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তিনি ইরান ইস্যুতে ‘দীর্ঘ আলোচনা’ করবেন। তবে সফরের মূল গুরুত্ব থাকবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর। ২০১৭ সালে প্রথম মেয়াদে চীন সফরের পর এটি ট্রাম্পের প্রথম বেইজিং সফর। তবে এবার দুই দেশের সম্পর্ক অনেক বেশি জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির এই বৈঠক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তি, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ, তাইওয়ান ইস্যু এবং ইরান যুদ্ধ, সব মিলিয়ে আলোচনা অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইরান ইস্যু সফরটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ চীনের ঘনিষ্ঠ অংশীদার ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতার আহ্বানে অনড় অবস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ, ট্রাম্প ও শির এই

চীন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কারণ কী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে তিনি রওনা হন। সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। খবর আলজাজিরা ও সিএনএনের। 

রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প জানান, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তিনি ইরান ইস্যুতে ‘দীর্ঘ আলোচনা’ করবেন। তবে সফরের মূল গুরুত্ব থাকবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর।

২০১৭ সালে প্রথম মেয়াদে চীন সফরের পর এটি ট্রাম্পের প্রথম বেইজিং সফর। তবে এবার দুই দেশের সম্পর্ক অনেক বেশি জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির এই বৈঠক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তি, বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ, তাইওয়ান ইস্যু এবং ইরান যুদ্ধ, সব মিলিয়ে আলোচনা অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে ইরান ইস্যু সফরটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ চীনের ঘনিষ্ঠ অংশীদার ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতার আহ্বানে অনড় অবস্থানে রয়েছে।

অর্থাৎ, ট্রাম্প ও শির এই বৈঠক শুধু অর্থনৈতিক নয়, বৈশ্বিক কূটনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow