চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় সিইআইজেডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে কাজ করছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অর্থনীতিকে গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সেই উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চললেও তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের

চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় সিইআইজেডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে কাজ করছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অর্থনীতিকে গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সেই উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চললেও তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে। এই অর্থনৈতিক অঞ্চল শুধু বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণই করবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন ও স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

এসময় সিইআইজেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সরওয়ার জামাল নিজাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, চট্টগ্রাম কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুল আলম, এম এম ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানিসহ সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow