চুক্তি লঙ্ঘন করে স্থাপনা নয়, কাতালগঞ্জে হবে সবুজ পার্ক: মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার-মুরাদপুর সড়কের কাতালগঞ্জ এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধনের নামে চুক্তি লঙ্ঘন করে কোনো স্থাপনা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই স্থানে রাজধানীর রমনা পার্কের আদলে একটি শিশু পার্ক ও সবুজ উন্মুক্ত জায়গা গড়ে তোলার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র বলেন, কাতালগঞ্জ এলাকায় যেসব স্থাপনা চুক্তি লঙ্ঘন করে নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলো উচ্ছেদ করা হবে। সেখানে রোগীর স্বজন ও পথচারীদের বিশ্রামের জন্য একটি সবুজ পার্ক গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি শিশুদের জন্যও আলাদা পার্ক থাকবে। তিনি আরও বলেন, এখানে কেউ কোনো গাছ কাটতে পারবে না। বিদ্যমান গাছপালা সংরক্ষণ করে একটি মনোরম পরিবেশ তৈরি করা হবে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য এটি একটি স্বস্তির জায়গা হবে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মেয়র বলেন, দ্রুত এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলে সেখানে পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। পরিদর্শনকালে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, আঞ্চল

চুক্তি লঙ্ঘন করে স্থাপনা নয়, কাতালগঞ্জে হবে সবুজ পার্ক: মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার-মুরাদপুর সড়কের কাতালগঞ্জ এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধনের নামে চুক্তি লঙ্ঘন করে কোনো স্থাপনা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই স্থানে রাজধানীর রমনা পার্কের আদলে একটি শিশু পার্ক ও সবুজ উন্মুক্ত জায়গা গড়ে তোলার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, কাতালগঞ্জ এলাকায় যেসব স্থাপনা চুক্তি লঙ্ঘন করে নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলো উচ্ছেদ করা হবে। সেখানে রোগীর স্বজন ও পথচারীদের বিশ্রামের জন্য একটি সবুজ পার্ক গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি শিশুদের জন্যও আলাদা পার্ক থাকবে।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, এখানে কেউ কোনো গাছ কাটতে পারবে না। বিদ্যমান গাছপালা সংরক্ষণ করে একটি মনোরম পরিবেশ তৈরি করা হবে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য এটি একটি স্বস্তির জায়গা হবে।

অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মেয়র বলেন, দ্রুত এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলে সেখানে পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

পরিদর্শনকালে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ এবং প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow