চুপ করাতে হলে আমাকে মেরে ফেলতে হবে: মমতা
ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ওপর নতুন করে ক্ষোভ ঝেড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের বিজেপি লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে দাবি করে মমতা বলেছেন, তৃণমূলকে শেষ করতে হলে বা তাকে চুপ করাতে হলে তাকে মেরে ফেলতে হবে। এক ভিডিওবার্তায় মমতা বলেছেন, তৃণমূলকে ভেঙে দিতে বিজেপি কোনো চেষ্টা বাকি রাখেনি। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের। তিনি বলেন, চুপ করাতে হলে আপনাদের আমাকে মেরে ফেলতে হবে। হ্যাঁ, আপনারা এটা করতে কোনো কিছু বাকি রাখেননি। মমতা দাবি করেন, মহুয়া মৈত্র, অভিষেক ব্যানার্জী ও কল্যাণ ব্যানার্জীসহ তার দলের অধিকাংশ নেতাকেই হামলা এবং হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। বলেন, কার ওপর আপনারা হামলা করেননি? আপনারা মহুয়ার ওপর হামলা করেছেন, অভিষেক-কল্যাণের ওপর করেছেন। আমার বাড়িতে আপনারা হামলা করেছেন। আরও পড়ুন মেজাজ হারিয়ে নিজ দলের কর্মীকে চড়, মমতার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন এমন এক সময়ে মমতা এসব দাবি করছেন যখন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারাগারে আমার দলের নেতাকর
ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ওপর নতুন করে ক্ষোভ ঝেড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের বিজেপি লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে দাবি করে মমতা বলেছেন, তৃণমূলকে শেষ করতে হলে বা তাকে চুপ করাতে হলে তাকে মেরে ফেলতে হবে।
এক ভিডিওবার্তায় মমতা বলেছেন, তৃণমূলকে ভেঙে দিতে বিজেপি কোনো চেষ্টা বাকি রাখেনি। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
তিনি বলেন, চুপ করাতে হলে আপনাদের আমাকে মেরে ফেলতে হবে। হ্যাঁ, আপনারা এটা করতে কোনো কিছু বাকি রাখেননি।
মমতা দাবি করেন, মহুয়া মৈত্র, অভিষেক ব্যানার্জী ও কল্যাণ ব্যানার্জীসহ তার দলের অধিকাংশ নেতাকেই হামলা এবং হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। বলেন, কার ওপর আপনারা হামলা করেননি? আপনারা মহুয়ার ওপর হামলা করেছেন, অভিষেক-কল্যাণের ওপর করেছেন। আমার বাড়িতে আপনারা হামলা করেছেন।
এমন এক সময়ে মমতা এসব দাবি করছেন যখন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারাগারে আমার দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে অমাণবিক আচরণ করা হচ্ছে, তাদের মেঝেতে শুতে বাধ্য করা হচ্ছে। অনেককে কোমড়ে দড়ি এবং পায়ে শিকল পরিয়ে হাঁটানো হচ্ছে, কারও কারও মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় পশ্চিমবঙ্গের সরকারি স্কুলগুলোতে মিড ডে মিলে ডিমের পরিবর্তে সবজি দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাচ্চারা মিড ডে মিলে ডিম পাচ্ছে না। এটা কখনোই বাংলার সংস্কৃতি ছিল না। আমরাও ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিলাম। কিন্তু আমার সময়ে কখনো এমন হয়নি।
এএমএ
What's Your Reaction?
