চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন মেসি, খেলা হবে তো বিশ্বকাপ?
ফিফা বিশ্বকাপের আগে ইন্টার মিয়ামির শেষ ম্যাচে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ৭৩ মিনিটে মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি। এরপর তিনি সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান। ম্যাচে বাম পায়ে অস্বস্তি অনুভব করতে দেখা যায় আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে। বাম পায়ের অস্বস্তি নিয়ে বিশ্বকাপের আগে মেসির মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকদের জন্য। ৬৯ মিনিটে তিনি আক্রমণে এগিয়ে গেলেও হঠাৎ থেমে যান এবং পরে সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পর কোচিং স্টাফ তাকে বদলি করে মাতেও সিলভেত্তিকে নামান। ম্যাচ শেষে ইন্টার মিয়ামির কোচ গুইল্লের্মো হোয়োস জানান, মেসির অবস্থা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তার ভাষায়, ‘আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না, তবে খুব শিগগিরই জানবো। সে ক্লান্ত ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাঠের অবস্থা ভারি ছিল এবং সন্দেহ থাকলে কোনো ঝুঁকি নেওয়া হয় না।’ এটি ছিল বিশ্বকাপের আগে মিয়ামির শেষ ম্যাচ। এরপর লিগ বিরতিতে যাবে। মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে যোগ দেওয়ার কথা। খেলবে প্রস্তুতি ম্যাচও হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে তার ফিটনেস নিয়ে কিছু উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণত মেসি খুব কমই বদলি হন। চলতি
ফিফা বিশ্বকাপের আগে ইন্টার মিয়ামির শেষ ম্যাচে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ৭৩ মিনিটে মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি। এরপর তিনি সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান। ম্যাচে বাম পায়ে অস্বস্তি অনুভব করতে দেখা যায় আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে।
বাম পায়ের অস্বস্তি নিয়ে বিশ্বকাপের আগে মেসির মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকদের জন্য। ৬৯ মিনিটে তিনি আক্রমণে এগিয়ে গেলেও হঠাৎ থেমে যান এবং পরে সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পর কোচিং স্টাফ তাকে বদলি করে মাতেও সিলভেত্তিকে নামান।
ম্যাচ শেষে ইন্টার মিয়ামির কোচ গুইল্লের্মো হোয়োস জানান, মেসির অবস্থা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তার ভাষায়, ‘আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না, তবে খুব শিগগিরই জানবো। সে ক্লান্ত ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাঠের অবস্থা ভারি ছিল এবং সন্দেহ থাকলে কোনো ঝুঁকি নেওয়া হয় না।’
এটি ছিল বিশ্বকাপের আগে মিয়ামির শেষ ম্যাচ। এরপর লিগ বিরতিতে যাবে। মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে যোগ দেওয়ার কথা। খেলবে প্রস্তুতি ম্যাচও হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে তার ফিটনেস নিয়ে কিছু উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণত মেসি খুব কমই বদলি হন। চলতি মৌসুমে তিনি এমএলএসে খেলা ১৩টি ম্যাচের সবগুলোতেই পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন। এছাড়া তিনি কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের দুই ম্যাচেও পুরো সময় মাঠে ছিলেন।
জাতীয় দলের হয়ে মার্চ মাসের প্রস্তুতি ম্যাচেও তিনি বেশিরভাগ সময় খেলেছেন, শুধু একটি ম্যাচে হাফটাইমে বদলি হয়েছিলেন। সবমিলিয়ে নিয়মিত দীর্ঘ সময় মাঠে থাকায় সাম্প্রতিক অস্বস্তি বিশ্বকাপের আগে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।
ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। যেখানে মোট ১০ গোল হয় এবং ৬-৪ গোলে জয় পায় মিয়ামি। তবে এখন সবচেয়ে বড় চিন্তা হলো লিওনেল মেসির শারীরিক অবস্থা, কারণ বিশ্বকাপের আগে তার ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আইএন
What's Your Reaction?